কৃষি

চরাঞ্চলে বাদামের বাম্পার ফলন

  

পিএনএস, গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধা ফুলছড়ির চরাঞ্চলে এবার বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। অন্য ফসলের চেয়ে বাদাম চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন এ অঞ্চলে বাদাম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা। জেলায় বাদামের চাষ বাড়াতে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, উন্নত বীজ সরবরাহসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করছে কৃষি বিভাগ। ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের জিগাবাড়ী, হরিচন্ডি, পাগলার চর, ফুলছড়ি ইউনিয়নের চর বাজে ফুলছড়ি, টেংরাকান্দি, দেলুয়াবাড়ি, ফজলুপুর ইউনিয়নের খাটিয়ামারি, গজারিয়া ইউনিয়নের গলনা, ঝানঝাইরসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে

রশিদুলের আরএএস পদ্ধতিতে মাছ চাষ হতে পারে অন্যদের জন্য মডেল

  

পিএনএস, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার এক কলেজ ছাত্রের রিসাইক্লিং এ্যাকোয়া কালচার সিস্টেম (আরএএস) পদ্ধতিতে মাছ চাষ হতে পারে অন্যদের জন মডেল। নবাবগঞ্জ উপজেলার শালখুরিয়া ইউনিয়নের জিয়াগাড়ী গ্রামের স্কুল শিক্ষক আঃ হামিদের কলেজ পড়ুয়া ছেলে রশিদুল হাসান তার বসত বাড়ীর সামনে ওই পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করেছে। মাছ চাষের পাশাপাশি সে হাঁসের খামারও গড়ে তুলেছে। রশিদুল জানায় উপরোক্ত পদ্ধতিতে মাছ চাষ প্রথম সে ময়মনসিংহ জেলা এলাকায় দেখে। সেই দেখা থেকেই তার ওই পদ্ধতিতে মাছ চাষের

সোনার ফসল উৎপাদনে কৃষিবীমা কার্যকর সময়ের দাবি

  

পিএনএস (মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান) : আমাদের কৃষি ও কৃষক অনেকটা অনাদরে থেকে যাচ্ছে। কথার কথা ছাড়া এ দুটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি তেমন একটা মনোযোগী নন দাযিত্বশীলরা। এ দুটি খাতকে গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দেওয়া হলে আমাদের দেশ আরো এগিয়ে যেত।অবহেলা-অনাদরে থাকার পরও কৃষকরা তাদের প্রয়োজনে আবাদ অব্যাহত রাখেন। তাদের এ নির্মোহ অবদানে সর্বস্তরের মানুষের মুখে সহজে খাবার চলে আসে। প্রচণ্ড খরতাপ, প্রবল বৃষ্টি আর বজ্রপাতের আকাশ ফাটা বিকট শব্দ উপেক্ষা করে উদয়-অস্ত তারা মাঠে মাটি কামড়ে পড়ে থাকেন

ঠাকুরগাঁওয়ে মরিচের বাম্পার ফলন, দাম ভাল পাওয়ায় চাষীদের স্বস্তি

  

পিএনএস ডেস্ক : ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকা মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। দাম ভাল পাওয়ায় চাষীদের চেহারায় স্বস্তির ছাপ দেখা দিয়েছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ভাউলার হাটসহ এলাকার কৃষকরা বেশ কয়েক বছর ধরে মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়ছে। দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মরিচের চাষ-আবাদ। গত এক মাস ধরে পাকা মরিচ তুলে শুকিয়ে বিক্রি করছে এলাকার কৃষকরা। এবার বাম্পার ফলন হওয়ায় এবং ৫,০০০ টাকা মন দাম পাওয়ায় চাষীদের মুখে স্বস্তির ছাপ দেখা দিয়েছে। গত শনিবার ভাউলার হাটে গিয়ে দেখা যায় হাজার হাজার কৃষক মরিচ নিয়ে এসেছে। এলাকার পাইকাররা তা

এক গাছের দামই ৫ লাখ টাকা!

  

পিএনএস ডেস্ক: রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে চলছে মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলা। এ মেলায় দেশের নামিদামি নার্সারি মালিকরা স্টলে গাছের পসরা সাজিয়েছেন। দেশি-বিদেশি প্রায় হাজার প্রজাতির গাছ স্থান পেয়েছে এ মেলায়। পাঁচ টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ লাখ টাকা দামের গাছ রয়েছে এ মেলায়। শুক্রবার মেলার দ্বিতীয় দিনে অনেকেই দর্শনার্থী ভিড় জমিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় বৃক্ষ রোপন অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৯-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে মেলা পরিদর্শনে দেখা গেছে, দেশের সরকারি-বেসরকারি

যেখানে আমের কেজি ১৮ টাকা!

  

পিএনএস ডেস্ক: রাজশাহীর বাঘায় গাছ পাকা আম ১৮-২০ টাকা কেজি দরে কিনছেন ব্যবসায়ীরা।রবিবার চকবাউসা গ্রামের নজরুল ইসলাম নামের এক ফড়িয়া ব্যবসায়ী আড়ানী গোচর গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ২০ কেজিতে আম কিনতে দেখা গেছে।জানা গেছে, বাগান মালিকরা পাকা আম গাছ থেকে নামিয়ে বাড়িতে রাখে। এই আম প্রতিদিন সকালে ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ২০ কেজিতে ক্রয় করছে। এই আম আবার তারা উপজেলার বিভিন্ন আড়তে ২২ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করছে।উপজেলার গোচর গ্রামের আম বাগান মালিক মাজদার রহমান সরদার বলেন, আমার আম

হাটগুলোতে ধানের দর বেড়েছে: খাদ্যমন্ত্রী

  

পিএনএস ডেস্ক : সরকারি খাদ্যগুদামে সংগ্রহ করায় হাটগুলোতে ধানের বাজার দর বেড়েছে। ঈদের আগে ও পরে প্রতি মণ সরু ধানের দর বেড়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। ঈদে নিত্যপণ্যের দর ছিলো স্থিতিশীল। এখনও সাধারণ ক্রেতার ক্রয়সাধ্যেই রয়েছে।শুক্রবার দুপুরে নওগাঁয় নিত্যপণ্যের বাজার দর পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। বাজারে গিয়ে মাছ মাংস ও অন্যান্য পণ্যের দর যাচাই করেন তিনি। এসময় সাধারণ ক্রেতাদের সাথে কথা বলেন, খোঁজ খবর নেন মন্ত্রী।মন্ত্রী বলেন, আগামীতে কৃষককে ধান নিয়ে

ধানের দাম: সংকট অনুমানে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ সরকার?

  

পিএনএস ডেস্ক : বিভিন্ন হিসেব-নিকেশ আর পূর্বাভাস অনেকটা আগে থেকেই ধারণা দিচ্ছিল যে এবার বাংলাদেশে বোরো ধানের উৎপাদন বেশ ভালো হবে।শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে - এবার ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক কোটি ৪০ লক্ষ টন, কিন্তু উৎপাদন বেশি হয়েছে এর চেয়ে ১৩ লক্ষ টন।ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবেই বেশ খুশির খবর। কিন্তু এবারে এটি উল্টো ফল বয়ে এনেছে বেশীরভাগ কৃষকের জন্য।ধানের দাম এতোটাই কমে গেছে যে তীব্র ক্ষোভে ফসলের মাঠে আগুন ধরিয়ে দিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন টাঙ্গাইলের এক কৃষক। বিভিন্ন

নবাবগঞ্জে সেই বেগুনি রংয়ের ধানের ফলন হয়েছে বিঘা প্রতি ২৬ মন

  

পিএনএস, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের চড়ারহাটের পশ্চিম পার্শ্বে বিরামপুর-ঘোড়াঘাট পাকা সড়কের উত্তর ধারে নজর কাড়া বেগুনি রংয়ের যে ধান ক্ষেতটি চাষ করা হয়েছিল তা কাটা হয়েছে।ওই ধানটির ফলন হয়েছে বিঘা প্রতি প্রায় ২৬ মন। উপজেলা কৃষি অফিসার আবুরেজা মোঃ আসাদুজ্জামান ও কৃষক আঃ হাকিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ধানটি বাজারে নেয়ায় পর এর মূল্য এবং চাহিদা কেমন হবে তা জানা যাবে। উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের দঃ জয়দেবপুর গ্রামের আঃ হামিদের ছেলে কৃষক আঃ হাকিম ওই

বিরামপুরে ইরির লক্ষমাত্রা ও অর্জন

  

পিএনএস, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : চলতি মৌসুমে বিরাপুরে ইরি ফসলের লক্ষমাত্রা ছিল ১৬,১৬৫ হেক্টর জমি। উৎপাদিত হয়েছে ১৬,২০০ হেক্টর জমিতে। ফসল উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছিল ৬৬,০৫৫ মেঃ টন সম্ভাব্য উৎপাদন ৬৮,০৪০ মেঃ টন। কৃষকের বিঘা প্রতি জমিতে সম্ভাব্য চাষ খরচ হয়েছে পানিসেচ ১৩০০টাকা, বীজ ৮০০ টাকা, সার ২৫০০ টাকা, শ্রমিক ১২০০ টাকা, ধান কর্তন করা ৩৮০০ টাকা, মোট ৯,৬০০ টাকা। যদিও সরকারি ভাবে ধানের কেজি প্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ টাকা। কিন্তু কৃষক পাচ্ছে বাজারে কেজি প্রতি সম্ভাব্য ১২ টাকা ।

Developed by Diligent InfoTech