স্বাস্থ্যকথা - Premier News Syndicate Limited (PNS)

স্বাস্থ্যকথা

টক-মিষ্টি স্বাদের লটকনে যতো উপকারিতা

  

পিএনএস ডেস্ক: টক-মিষ্টি স্বাদের টসটসে লটকন দেখলে জিভে পানি চলে আসবে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। রসালো এই ফলটি দিনদিন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর রয়েছে বেশ কিছু উপকারিতা। চলুন জেনে নেই-প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনের কোয়ায় খাদ্যশক্তি থাকে প্রায় ৯২ কিলোক্যালরি। অবাক বিষয় হলো এতে ক্যালরি আছে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের প্রায় দ্বিগুণ।লটকন খেলে বমি বমি ভাব দূর হয় সহজেই। তৃষ্ণাও নিবারণ করে। মানসিক চাপ কমায় এ ফল। এর গাছের ছাল ও পাতা খেলে চর্মরোগ দূর হয়। লটকন গাছের শুকনো গুঁড়ো পাতা ডায়রিয়া বেশ দ্রুত উপশম

ঘি খেলে যা হয়

  

পিএনএস ডেস্ক: ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে ঘি খাওয়া থেকে বিরত থাকেন অনেকেই। কিন্তু এই ওজন বেড়ে যাওয়া কিংবা অসুস্থতার সঙ্গে ঘিয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং মস্তিষ্ক থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত শরীরে একাধিক অঙ্গের সচলতা বৃদ্ধিতে ঘিয়ের ভূমিকা রয়েছে।প্রতিদিন ঘি খেলে একদিকে যেমন ভিটামিন এ এবং ই-এর ঘাটতি দূর হয়, তেমনি অ্যান্টি-অ্যাক্সিডেন্টের মাত্রাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে পুষ্টির ঘাটতি দূর হওয়ার পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও শক্তিশালী হয়।ঘিয়ে উপস্থিত উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিড, বিশেষত লরিক অ্যাসিড

প্রতিদিন পেয়ারা খেলে যতো উপকার

  

পিএনএস ডেস্ক: পেয়ারা দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনই এই ফলটির রয়েছে অনেক উপকারিতা। এর ভিটামিন সি, লাইকোপেন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রতিটি অংশকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রতিদিন একটি করে পেয়ারা খেলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।পেয়ারায় উপস্থিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর জীবাণুদের মারতে শুরু করে। ফলে সব ধরনের সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যায়। সেইসঙ্গে শরীরে উপস্থিত সব

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় গাজর

  

পিএনএস ডেস্ক: গাজর তো খানই, এর উপকারিতা সম্পর্কে জানেন কি? হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রিপোর্ট বলছে, যারা সপ্তাহে ৬টির বেশি গাজর খেয়েছেন বা খাচ্ছেন, তাদের স্ট্রোক এবং অকালে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।গাজরের তরকারি বা হালুয়া খেতে বেশ। কিন্তু তাতে উপকার তুলনামূলক কম। তার বদলে কাঁচা গাজর খেলে বরং উপকার বেশি। স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই এখন নিয়মিত গাজর খাওয়া শুরু করেছেন। দুপুরের খাওয়া হোক বা নৈশভোজ, সালাদ ছাড়া চলেই না। সালাদে আর কিছু থাক আর না থাক, গাজর কিন্তু রাখতেই হবে।দুপুরে

তেজপাতা যতো গুণ

  

পিএনএস ডেস্ক: রান্নায় সুগন্ধ আনতে তেজপাতা ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এই তেজপাতারই রয়েছে অনেক গুণ। উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের মতে, তেজপাতার গুণ এমনই যা অনেক অসুখের সঙ্গেও লড়তে সাহায্য করে আমাদের। এছাড়াও দৈনন্দিন জীবনে তেজপাতার উপকার অনেকটাই।আমেরিকার ‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন’-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, প্রতিদিন ১-৩ গ্রাম তেজপাতার ধোঁয়া শরীরে প্রবেশ করলে তার এলিমেসিন ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। ডায়াবিটিকস রোগীদের জন্য তা অত্যন্ত উপকারী।তেজপাতায় আছে বেশ কিছু জীবাণুনাশক উপাদান যা

টাক পড়া রোধে ৩ খাবার

  

পিএনএস ডেস্ক: চুল পড়তে পড়তে একটি সময় শুরু হয় টাক পড়া। আর এই টাক পড়া রোধে অনেকেই নানা ধরণের ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু তাতে উপকার মেলে না তেমন। তাই চুল পড়া কমাতে বেছে নিন প্রাকৃতিক উপায়। খাদ্য তালিকায় পরিমিত পরিমাণে রাখুন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার, যে খাবারগুলো আপনার চুল পড়ার মূল সমস্যাটি দূর করবে। এমন তিনটি খাবার রয়েছে যা আপনার চুল পড়া কমিয়ে টাকের হাত থেকে মুক্তি দেবে।রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করা থেকে শুরু করে আমাদের চুল ও ত্বকের যত্নে গাজরের তুলনা নেই। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বেটা

প্রেমে পড়লে ওজন বাড়ে!

  

পিএনএস ডেস্ক :স্লিম অ্যান্ড ট্রিম থাকতে হলে প্রেম থেকে শত হস্ত দূরে থাকতে হবে, এমনই বলছে একটি রিসার্চ। অস্ট্রেলিয়ার ‘সেন্ট্রাল কুইনসল্যান্ড ইউনিভারসিটি’-তে সম্প্রতি এমনই তথ্য দেওয়া হয়েছে যে, প্রেমে পড়লে ওজন বাড়তেই পারে।প্রায় ১০ বছর ধরে রিসার্চ চালায় সেন্ট্রাল কুইনসল্যান্ড ইউনিভারসিটির গবেষকরা। মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে ১৫০০০ অংশগ্রহণকারী ছিল এই গবেষণায়। এদের মধ্যে যেমন কাপলরা ছিলেন, অনেক সিঙ্গল অংশগ্রহণকারীও ছিলেন। বেষণার মূল আধার ছিল বিএমআই (বডি মাস ইনডেক্স)।প্রেমে পড়ার পরে ওজন

শিশুদের জন্য যেসব খাবার ক্ষতিকর

  

পিএনএস ডেস্ক :ঘরের তৈরি খাবার শিশুদের জন্য সবচেয়ে ভালো। বাইরের কিনে আনা খাবার শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্নক ক্ষতির কারণ হতে পারে।জানেন কী, বাইরের খাবার খেয়ে আপনার শিশুর বৃদ্ধি যেমন ব্যাহত হয় তেমনি সার্বিকভাবে আপনার শিশুর স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করে। তাই শিশুতে বাইরের খাবার খাওয়াবেন না। আসুন জেনে নেই যেসব খাবার শিশুদের খাওয়াবেন না।প্রিজারভেটিভযুক্ত খাবারসব ধরণের বেকড খাবার, ভাজাপোড়া, চিপস ও প্যাস্ট্রির মধ্যে রাসায়নিক থাকে এবং শিশুরা এইসব খাবার খেতে ভালোবাসে। এই ধরনের খাবারে নানা রকম

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক আমপাতা!

  

পিএনএস ডেস্ক : আম হচ্ছে ‘ফলের রাজা’।কাঁচা কিংবা পাকা সব ধরনের আমই পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ।আমে থাকা ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কার্যকরী। আম নিয়ে এরকম আরও নানা গুণের কথা জানা থাকলেও অনেকেরই হয়তো জানা নেই আম পাতাও শরীরের জন্য দারুন উপকারী। প্রাচীনকালে এটি ওষুধি হিসেবে ব্যবহার করতেন চিকিৎসকরা।বিশেষ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কচি আম পাতা দেখতে কিছুটা লালচে ও বেগুনি রঙের হয়। ধীরে ধীরে এটা গাঢ় সবুজ রঙ ধারন করে। এই পাতাতে প্রচুর পরিমাণে

খাওয়ার পরে মিষ্টি উপকার নাকি ক্ষতিকর?

  

পিএনএস ডেস্ক: স্বাস্থ্য সচেতনতার দোহাই দিয়ে মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত থাকেন অনেকেই। তবু লোভ সামলে কতক্ষণ আর থাকা যায়! খাওয়ার শেষে একটা মিষ্টি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে ভালবাসেন কেউ কেউ। কিন্তু শেষ পাতে মিষ্টি খাওয়াটা শরীর-স্বাস্থের পক্ষে কতটা ভালো? চলুন জেনে নেয়া যাক-বিয়েবাড়ি, রেস্তোরাঁ, এমনকি বাড়িতেও যদি প্রচুর পরিমাণে ঝাল-মশলা যুক্ত খাবার খাওয়া হয়, তাহলে তারপর একটু মিষ্টি খেলে কোনো ক্ষতি নেই! বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝাল বা তেল-মশলাযুক্ত খাবার খেলে অ্যাসিড ক্ষরণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এদিকে

Developed by Diligent InfoTech