ইসলাম

আজ মক্কা বিজয় দিবস

  

পিএনএস ডেস্ক: আজ রমজানুল মোবারকের ২০ তারিখ। সিয়াম সাধনার মাসের আক্ষরিক অর্থেই দ্বিতীয় দশক পূর্ণ হচ্ছে আজ। কিন্তু আজকের দিনটির গুরুত্ব বহু গুণ বেড়েছে একটি ঐতিহাসিক কারণে। ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যবহ একটি ঘটনার সাক্ষী রমজানের ২০ তারিখ। শুধু ইসলামের ইতিহাসে নয়, বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে অনন্য সাধারণ বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদার অধিকারী এ ঘটনাটি মক্কা বিজয়। ইসলামের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরতের অষ্টম বছরে ১০ হাজার মুসলিম সৈন্যের এক বাহিনী নিয়ে মক্কা নগরী জয় করেছিলেন এই দিনে। আজ থেকে ১৪২৬

জেনে নিন রমজানের দশম দিনের ফজিলত!

  

পিএনএস ডেস্ক: রহমত, বরকত ও নাজাতের মাস রমজান। এ মাসটি জুড়েই রয়েছে মুমিনের জন্য অফুরন্ত রহমত ও খোদা তা’লার পক্ষ থেকে ক্ষমা পাওয়ার সুযোগ। সেই সাথে বরকতের নেয়ামত তো আছেই। এ কারণে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে মাসটি অতিবাহিত করেন মুমিনগণ।আজ রমজানের দশম দিন। এদিন রোজাদারকে উভয় জাহানের কল্যাণ দান করা হয়।সিয়াম-সাধনার মাধ্যমে আমাদেরকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সচেষ্ট থাকতে হবে। নামাজ ও রোজার পাশাপাশি কোরআন তিলাওয়াত, জিকির আসগারসহ বরকতের মাসটিকে কাটাতে হবে। তবেই আল্লাহ পাকের রহমত ও বরকত আমাদের নসিব

শারীরিক সুস্থতায় রোজার কার্যকরীতা

  

পিএনএস ডেস্ক: রমজানের রোজা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যেমন উত্তম, তেমন শারীরিক সুস্থতার জন্য কার্যকরী একটি ব্যবস্থাপনা।গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সাহরি এবং ইফতারে পরিমিত খাবার খান।অতি ভোজন এড়িয়ে চলেন, তারা রোজা রাখার ফলে শুধু শারীরিকভাবেই উপকৃত হন না, বরং মানসিকভাবেও প্রশান্তি ও প্রফুল্লতা অনুভব করতে থাকেন।বিশ্বজগতের মহান চিকিৎসক হজরত মোহাম্মদ মুস্তফা (সা.) বলেছেন, প্রতিটি বস্তুর জাকাত আছে; শরীরের জাকাত রোজা। অতএব, আমাদের রোজা রাখা উচিত।রোজা রাখার ক্ষেত্রে কয়েকটি সহজ ফর্মূলা যদি

গর্ভবতী মায়ের রোজার বিধান

  

পিএনএস ডেস্ক:প্রশ্ন: আমার স্ত্রী আমার ১০ মাসের শিশু সন্তানকে দুগ্ধপান করান। তার জন্য কী রমজানের রোজা না-রাখা জায়েয হবে?উত্তর:আলহামদুলিল্লাহ।দুগ্ধপানকারিনী ও গর্ভবতী মায়ের দুইটি অবস্থা হতে পারে:১) রোজা রাখার দ্বারা তার স্বাস্থ্যের উপর কোন প্রভাব না পড়া। অর্থাৎ তার জন্য রোজা রাখাটা কষ্টকর না হওয়া এবং তার সন্তানের জন্যেও আশংকাজনক না হওয়া। এমন নারীর উপর রোজা রাখা ফরজ; তার জন্য রোজা ভাঙ্গা নাজায়েয।২) রোজা রাখলে তার নিজের স্বাস্থ্য অথবা সন্তানের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হওয়ার আশংকা করা

রোজার মাসআলা: নিয়ত না করলে কি রোজা হবে না?

  

পিএনএস ডেস্ক: রোজার নিয়ত কি, তা কিভাবে করতে হবে, আরবিতে নাকি বাংলায়, মুখে উচ্চারণ করে নাকি মনে মনে ইত্যাদি? তাই এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জেনে নেয়া জরুরি।প্রত্যেক মানুষের কাজের প্রতিদান তার নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে,انما الاعمال بالنيات وانما لامرئ ما نوي-অর্থাৎ, প্রত্যেক কাজের প্রতিদান নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। নিশ্চয় মানুষের জন্য তাই রয়েছে, যা সে নিয়ত করে (সহিহ বুখারী, হাদিস নম্বর -১)।এ জন্য প্রত্যেক কাজের প্রতিদানের জন্য নিয়তের গুরুত্ব অপরিসীম। নামাজ, রোজাসহ

যে ৫টি সময়ে দোয়া কবুল করা হয়

  

পিএনএস ডেস্ক: মহান আল্লাহ মহানের শান হচ্ছে- বান্দা তার কাছে চাইলে (প্রার্থনা বা দোয়া) খুশি, আর না চাইলে তিনি অ-খুশি হন। যে কোনো কাজেরই সুনির্দিষ্ট একটি সময় রয়েছে। কখন দোয়া করলে তা অবশ্যই কবুল কবে বা কখন দোয়া করা একেবাইরেই উচিত না- ইসলামে এমন বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা রয়েছে। ৫টি সোনালী সময়, যখন দোয়া কবুলের জন্য আসমানের দুয়ারসমূহ খুলে দেয়া হয়।জোহরের আগমুহূর্তেরাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- নিশ্চয়ই আসমানের দুয়ারসমূহ খুলে দেয়া হয় সূর্য মধ্যাকাশ থেকে পশ্চিমাকাশের দিকে হেলে

হাদিসের আলোকে শবে বরাতের আমল ও ফজিলত

  

পিএনএস ডেস্ক:আজ বৃহস্পতিবার আরবি হিজরি সনের ১৪ শাবানের দিবাগত রাতের পর ১৫ শাবান পবিত্র শবে বরাত। দিনশেষে যে রাত আসবে ওই রাতটিই হচ্ছে লাইলাতুল মিসফি মিন শাবান।শবে বরাত কথাটি ফারসি থেকে এসেছে। `শবে' মানে হচ্ছে রাত আর `বরাত' মুক্তি। শবে বরাত অর্থ মুক্তির রাত। যেহেতু এই রাতে আল্লাহর অগণিত মাখলুককে ক্ষমা করে থাকেন। হাদিস শরিফে আছে, হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) তাকে বলেছেন, এ রাতে বণিক কাল্পনিক ভেড়ার পশমের সংখ্যার পরিমাণের চেয়েও বেশি সংখ্যক গুনাহগারকে আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে দেন

পবিত্র শবে বরাত আজ

  

পিএনএস ডেস্ক: পবিত্র শবে বরাত আজ । হিজরি সালের শাবানের ১৪ তারিখ রাতটি মুসলিম উম্মাহ সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে। অনেকের মতে, মহিমান্বিত এ রাতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। মুসলমানরা এ রাতে মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকাট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকিরসহ বিভিন্ন ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে অতিবাহিত করেন।অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করবেন। প্রতি বছর এ রাত্রিতে ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি হালুয়া, ফিরনি, রুটিসহ

আল্লাহ চান বান্দা যেন নিজের চেষ্টাটুকু করে

  

পিএনএস ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে নভেল-১৯ করোনাভাইরাস। এ ভাইরাস ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে পড়েছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানীরাও। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৮২ হাজারের অধিক মানুষ মৃত্যু বরণ করেছেন। একে আল্লাহর গজব হিসেবেই মনে করছেন ধর্মীয় প্রবক্তারা। কোরআনের বিভিন্ন আয়াত ও হাদিস এ কথাই প্রমাণ করে। তবে এ ভাইরাসে আমাদের করণীয় কি? আল্লাহর গজব মনে করে তাকদিরের ওপর ছেড়ে দেয়া নাকি পাশাপাশি সতর্কও থাকতে হবে? অনেকেই বিষয়টিকে শুধু তাকদিরের ওপর ছেড়ে দিয়ে অবহেলায় জীবন যাপন করছে। ইতোমধ্যেই

করোনায় কেয়ামতের আলামত!

  

পিএনএস ডেস্ক: গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) এখন বৈশ্বিক মহামারি। বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এ ভাইরাসটি। বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। করোনার বিস্তাররোধে দেশের সব স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর। করোনাভাইরাস এক অজানা আতঙ্ক। বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ (সা.) মানবজাতিকে সতর্ক করে বলেছেন- অন্যায়, জুলুম ও অশ্লীলতার কারণে আল্লাহ তায়ালা জালেম