ইসলাম

সাহাবীদের সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  

পিএনএস ডেস্ক: ১. ইসলামী বিশেষজ্ঞদের মতে মোট সাহাবীর সংখ্যা ১১৪০০০ জনের কম-বেশি। ২. সর্বশেষ ইন্তেকালকারী সাহাবী আনাস ইবনে মালিক(রা.)। তিনি ৯৩ হিজরিতে বসরা নগরীতে ইন্তেকাল করেন। ৩. সবচেয়ে বেশি হাদীস বর্ণনাকারী ৫জন সাহাবী● হযরত আবু হুরাইরা(রা.)- ৫৩৭৪ টি● হযরত আয়েশা সিদ্দিকা(রা.)- ২২১০ টি● হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস(রা.)- ১৬৬০ টি● হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর(রা.)- ১৬৩০ টি● হযরত জাবেদ ইবনে আবদুল্লাহ(রা.)- ১৫৪০ টি ৪. জীবিত অবস্থায় বেহেশতের সুসংবাদপ্রাপ্ত ১০ সাহাবী-● হযরত আবুবকর

রহমতের কূপ ‘জমজম’, যা বলেছেন জ্ঞানীরা

  

পিএনএস ডেস্ক: জমজম কুয়া হল মক্কায় মসজিদুল হারামের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি কুয়া। এটি কাবা থেকে ২০ মিটার (৬৬ ফুট) দূরে অবস্থিত। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, নবী ইবরাহিম (আ) তার স্ত্রী হাজেরা (আ) ও শিশুপুত্র ইসমাইলকে (আ) মরুভূমিতে রেখে আসার পর ইসমাইল (আ) এর পায়ের আঘাতে এর সৃষ্টি হয়। মসজিদুল হারামে আগত লোকেরা এখান থেকে পানি পান করে। মহান স্রষ্টার অন্যতম নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জমজম কূপ। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো এই কূপের পানি সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত এক মুহূর্তের জন্যেও নিঃশেষ হয়নি বা

মসজিদে মসজিদে শিশুদের বিড়ম্বনা

  

পিএনএস ডেস্ক: ‘ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুদের অন্তরে’ আজ যারা বিশ্বের নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা একদিন শিশু ছিল, শিশু থেকেই তারা আজ যুবক হয়েছে। শিশুরা আল্লাহতায়ালার বড় এক নিয়ামত। পিতা-মাতার জন্য আমানত।শিশুর মর্যাদা সম্পর্কে রাসূল (সা.) বলেন, ‘শিশুরা হল জান্নাতের প্রজাপতি’। (মিশকাত শরিফ)শিশুদের সময়মতো নামাজ শিক্ষা দেয়ার প্রতি অভিভাবকদের তাগিদ দেয়া হয়েছে।আবু দাউদ শরিফে রাসূল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের সন্তানরা যখন সাত বছরে পড়ে তখন তাদের নামাজ পড়ার নির্দেশ দাও, আর দশ বছর বয়স হলে তাদের নামাজের

জোড়া কলা খেলে কি জোড়া সন্তান হয়! ইসলাম কি বলে?

  

পিএনএস ডেস্ক: আমাদের সমাজে কিছু প্রচলিত কুসংস্কার রয়েছে যেগুলো অধিকাংশই মানুষের তৈরি করা। কোথাও রওনা দিলে ঝাড়ু, খালি কলসি বা কেউ হাছি দিতে দেখলে অযাত্রা হয়! আসলে ইসলামে এ ধরনের কুসংস্কারের কোনো ভিত্তি নেই।আমাদের আজকের আলোচনা সমাজের প্রচলিত কুসংস্কারগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। আর তা হলো জোড়া কলা খাওয়া। শুধু জোড়া কলা কেন কোনো খাবারেরই জোড়া সন্তান জন্মানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার কোনো ক্ষমতা নেই।এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে পাকে ইরশাদ করেছেন :لِلَّهِ

হিজাব ও পর্দা: ইসলাম কী বলে?

  

পিএনএস ডেস্ক:হিজাব ও পর্দা: ইসলাম কী বলে?অঅ-অ+ ‘ঈমানদার নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে ও তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না

ফজরের নামাজের ৭ উপকারিতা

  

পিএনএস ডেস্ক: ফজরের নামাজ মূলত দুই রাকাত সুন্নত ও দুই রাকাত ফরজ নামাজ নিয়ে গঠিত। ফরজ অংশ ইমামের নেতৃত্বে জামাতের সাথে আদায় করা হয়। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত ফজরের নামাজের সময়। ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের পর ফরজ নামাজ পড়তে হয়। উল্লেখ্য, ফজরের সময় শুরু হওয়া থেকে ইসলামের অন্যতম একটি স্তম্ভ রোজার সময়ও শুরু হয়।ফজরের নামাজ আদায়ে বিশেষ ৭টি উপকারী দিক পাঠকের জন্য নিচে তুলে ধরা হলো। ১. ফজরের নামাজে দাঁড়ানো, সারা রাত দাঁড়িয়ে নামায পড়ার সমান। ‘যে ব্যক্তি জামাতের সাথে

যে দোয়া পড়লে দু:খ ও অস্থিরতা এড়ানো যায়

  

পিএনএস ডেস্ক: দোয়াদু:খ ও অস্থিরতা মানুষকে দুর্বল করে দেয়। দু:খগ্রস্ত মানুষজন স্বাভাবিক কর্ম পালনে ব্যর্থ হয়। ফলে জীবন দুর্বিষহে পরিণত হয়। অস্থিরতা মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায়। ফলে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। তাই কোনো ব্যক্তি দু:খ, অস্থিরতা, কষ্ট, চিন্তার সম্মুখীন হতে চায় না। আর প্রতিটি সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোনো দু:খ, কষ্ট বা চিন্তা ও অস্থিরতায় পড়তেন তখন

ইসলামের দৃষ্টিতে যাদের বিবাহ করা হারাম

  

পিএনএস ডেস্ক: ইসলামের দৃষ্টিতে – মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করার সঙ্গে সঙ্গে তার জীবন ধারণের জন্য কিছু চাহিদা দিয়েছেন এবং চাহিদা মেটানোর পদ্ধতিও বলে দিয়েছেন। মানব জীবনে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ন্যায় জৈবিক চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ। এই চাহিদা পূরণের জন্য ইসলাম বিবাহের বিধান দিয়েছে।আল্লাহ তাআলা পৃথিবীর প্রথম মানুষ আদম (আঃ)-কে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। পরবর্তী বংশ বৃদ্ধির জন্য হাওয়া (আঃ)-কে সৃষ্টি করে আদম (আঃ)-এর সঙ্গে বিবাহের ব্যবস্থা করেন। মানব জীবন প্রণালী

ইসলামে আংটি ও পাথর ব্যবহারের বিধান

  

পিএনএস ডেস্ক:মানুষের ভাগ্যের বিধাতা আল্লাহ, আল্লাহই পারেন তা পরিবর্তন করতে; আর তিনি তা পরিবর্তন করেন বান্দার আমলের কারণে। যেমন নেক আমল বা সৎকর্ম, পিতামাতার ও গুরুজনের দোয়া বা শুভাশিষ, সদকাত বা দান খয়রাত ইত্যাদি দীর্ঘায়ু নেক হায়াত, সুখী সুন্দর নিরাপদ ও আনন্দময় জীবন লাভের কারণ। অনুরূপভাবে গুনাহ বা পাপকাজ ও অন্যায় অপরাধ-অপকর্ম দ্বারা আয়ু কমে, দুর্ভাগ্য আসে ও সঙ্কটে পতিত হতে হয়। কিছু মানুষ পর্যাপ্ত ধর্মীয় জ্ঞান না থাকায় ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নাজায়েজ ও অবৈজ্ঞানিক পন্থাবলম্বন করে। এর

নবী করিমকে (সা.) প্রথম যে নারী দেখেন

  

পিএনএস ডেস্ক:হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মুবারক শরীর স্পর্শ করেন প্রথম যে নারী তিনি হযরত ওয়ারাকা (রা.) একজন ইথুপিয়ান রমণী। নবীজি (সা.) জন্ম নেবার সময় উক্ত স্থানে ওয়ারাকা (রা.) ছিলেন এবং তার কোলেই প্রথম চোখ খোলেন নবীজি (সা.)।তখন এই মহিমান্বিত জননীর বয়স ৯ অথবা ১০ বছর। তার সম্বন্ধে জানা যায়, তিনি খুবই কম কথা বলতেন এবং যোগাত্মক মানসিকতার ছিলেন। সব বিষয় বস্তুর মধ্যেই ভালো কিছু লক্ষ্য করতে চেষ্টা করতেন। হযরত আমিনা বিনতে ওয়াহাব (রা.) যখন অন্ত:সত্ত্বা ছিলেন, তিনি স্বপ্নে দেখেন যে তার পেট থেকে একটি

Developed by Diligent InfoTech