ইসলাম

বেজোড় ইবাদত

  

পিএনএস, ইসলাম: আল্লাহ তাআলা মানুষকে তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। আর এ কারণেই মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সব ভাল কাজই আল্লাহর ইবাদত হিসেবে পরিগণ্য। সারাদিন অন্যায় কাজ করে শুধুমাত্র নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, জিকির-আজকার ইত্যাদি আদায় করার নামই ইবাদত নয়। বরং নামাজ-রোজা-হজ-জাকাত-জিকির ইত্যাদির সঙ্গে সঙ্গে পরিশুদ্ধ নিয়ত নিয়ে দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি কাজ কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক করাই হলো ইবাদত।আর এ ইবাদত যদি হয় বেজোড় তবে তা আল্লাহ তাআলার কাছে অধিক পছন্দনীয়। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

আল্লাহ তার পছন্দের বান্দাদের কেন বেশি পরীক্ষায় ফেলেন?

  

পিএনএস ডেস্ক: আমরা জানি আমরা যখন আল্লাহ কাছে কান্নাকাটি করে কিছু চাই সেটা আল্লাহপাক পছন্দ করেন। কিন্তু একই সমস্যার কথা আল্লাহর কাছে অনেক দিন বলার পরেও কেন তিনি বান্দার দোআ কবুল করেন না। আল্লাহ কি যাদেরকে ভালোবাসেন তাদের বেশি পরীক্ষার মাঝে ফেলন? আল্লাহ যাদেরকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন তাদেরকে তিনি বেশি বেশি পরীক্ষা করেন। আমরা যদি সকল নবীদের জীবনের দিকে লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাবো তারাই ছিলেন আল্লাহর সব থেকে পছন্দে এবং তারাই সব সময় কষ্টের মাঝে (পরীক্ষার) ছিলেন। এমনকি তাদের জীবন ছিল সব থেকে বেশি

রাসূল (সা.) বলেছেন, আজওয়া খেজুর খাও- হৃদরোগ ভালো হবে

  

পিএনএস ডেস্ক: মানুষের সুস্থতা আল্লাহপাকের অনেক বড় নিয়ামত। মানুষের জীবনে চলার পথে সুস্বাস্থ্য খুব প্রয়োজন। কেননা একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পক্ষে কোনো ইবাদতই করা সম্ভব হবে না। হাদিসে এসেছে, আল্লাহর কাছে তোমরা সুস্বাস্থ্য প্রার্থণা কর, কারণ ইমানের পর সুস্বাস্থ্যের চেয়ে অধিক মঙ্গলজনক কোনো কিছু কাউকে দান করা হয়নি (ইবনে মাজাহ) সুতরাং মানুষের উচিত সব সময় সুস্থ থাকার চেষ্টা করা।রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লে চিকিৎসা গ্রহণ করা। আর এই চিকিৎসার ক্ষেত্রে আমাদের নবীও (সা.) বেশ কিছু চিকিৎসার উপাদান বলে

কেন রাসুল (সা.) সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে সকালের নাস্তা করতেন?

  

পিএনএস ডেস্ক: আমাদের নবী (সা.) -এর সকল কাজই আমাদের জন্য আদর্শ। নবী (সা.) -এর ঘুম, খাওয়া, হাটা, চলা এই সকল বিষয়ের মাঝেই আমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ। মহানবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করতেন। এমনকি তিনি তার নাস্তার এই মেনু কখনো পরিবর্তন করেননি। নবীর (সা.) সাহাবারা নবীর (সা.) কাছে জানতে চেয়েছিলেন তিনি কেন প্রতিদিন সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করেন? তিনি বলেছিলেন, সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করা মস্তিষ্কের জন্য ভালো।

জমজম কুয়ো সংস্কারে সৌদি আরব

  

পিএনএস ডেস্ক: সৌদি আরবের মক্কায় মসজিদে আল-হারামের ভেতরে যে জমজম কুয়ো আছে, সেখানে ব্যাপক সংস্কারের এক কাজ হাতে নিয়েছে সে দেশের কর্তৃপক্ষ। বিশ্বের কোটি কোটি মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ জমজম কুয়োর পানিকে অত্যন্ত পবিত্র ও অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন বলে মনে করেন।প্রতি বছর যে লক্ষ লক্ষ মুসলিম হজযাত্রী সৌদি আরবে যান, তাদের বেশির ভাগই জমজমের পানি নিয়ে দেশে ফেরেন। মুসলিমরা বিশ্বাস করেন, হাজার হাজার বছর আগে আল্লাহ্ এই কুয়োটি সৃষ্টি করেছিলেন ইব্রাহিম (আঃ)এর স্ত্রী ও সন্তানদের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য। খবর

নিজ ঘরে নামাজ আদায়ে যে কল্যাণ রয়েছে

  

পিএনএস ডেস্ক: নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান ইবাদত। ঈমানের পরেই যা পালনীয়। একজন মানুষের ঈমানের স্বীকৃতি দেয়ার পর প্রথম ইবাদত হলো নামাজ আদায় করা। যা ইসলামের দ্বিতীয় রোকন।কুরআন এবং হাদিসে একাধিকবার নামাজ আদায়ের নির্দেশ এবং ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। মুসলিম উম্মাহর জন্য তা পালনে রয়েছে দুনিয়ার কল্যাণ এবং আখেরাতের মুক্তি।এ কারণে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু

জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করতে হয় কেন?

  

পিএনএস ডেস্ক: ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। একজন মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এবং সকালবেলা ঘুম থেকে উঠার পর দিন শেষে আবার ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত গোটা জীবনের সব ধরনের কাজের দিক-নির্দেশনা ইসলামে প্রদত্ত হয়েছে।ইসলামের কিছু বিধান এসেছে সরাসরি আল্লাহ মহানের পক্ষ থেকে। যাকে আমরা পবিত্র কুরআনের মাঝে পেয়ে থাকি। এছাড়া ইসলামের আরো কিছু বিধান সাব্যস্ত হয়েছে

আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে ব্যর্থ যারা

  

পিএনএস ডেস্ক: আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি মানুষ এবং জিনকে কেবল এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে। আমি তাদের কাছে জীবিকা চাই না এবং এও চাই না যে, তারা আমার খাবার জোগাবে।’ (সুরা জারিয়াত: আয়াত ৫৬-৫৭)আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদত করার জন্য। আর মানুষের ইবাদত করার একমাত্র লক্ষ্য হলো আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জন করা। যারা আল্লাহর ইবাদতে ব্যর্থ হয়, তারা তাঁর নৈকট্য লাভেও ব্যর্থ।ইবাদত কি মানুষ তা অনুভব বা উপলব্ধি করতে চায় না। শুধুমাত্র নামাজ-রোজা-হজ-জাকাত আদায় করাকেই মানুষ

রোগীর সেবায় রাসুলুল্লাহ (স:) এর তাগিদ

  

পিএনএস ডেস্ক: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক হাদিসে বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ অসুস্থ হয়ে যায়; তাকে দেখতে যাওয়া; তার সেবা-যত্ন করা মুসলমানের হক হয়ে যায়। তিনি অসুস্থ ব্যক্তি সেবা যত্ন করতে এবং অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া করার তাগিদ দিয়েছেন।হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী অসুস্থ ব্যক্তির খোঁজ খবর নেয়া, সেবা-যত্ন করা এবং তার জন্য দোয়া করাও ইবাদত হিসেবে পরিগণিত। কারণ রোগ-ব্যাধির মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা মুমিন ব্যক্তির গোনাহ মাফ করে দেন। তাঁর মর্যাদা বাড়িয়ে দেন।হজরত ছাওবান রাদিয়াল্লাহু

যে পাঁচ সময় দোয়া করলে তা অবশ্যই কবুল হয়

  

পিএনএস ডেস্ক: দোয়া মানে প্রার্থনা। আল্লাহ মহানের কাছে কিছু চাওয়া। আবদার করা বা কোনো সমস্যা-বিপদ থেকে উত্তরণের জন্য আকুতি জানানো। আল্লাহ মহানের শান হচ্ছে- বান্দা তার কাছে চাইলে (প্রার্থনা বা দোয়া) খুশি, আর না চাইলে তিনি অ-খুশি হন। যে কোনো কাজেরই সুনির্দিষ্ট একটি সময় রয়েছে। কখন দোয়া করলে তা অবশ্যই কবুল কবে বা কখন দোয়া করা একেবাইরেই উচিত না- ইসলামে এমন

Developed by Diligent InfoTech