ইসলাম

নিজে আমল না করে অন্যকে নসিহত করা সম্পর্কে

  

পিএনএস ডেস্ক: আল্লাহ তাআলা কুরআনে পাকে ইরশাদ করেন, ‘তোমরা মানুষকে সৎ কাজের নির্দেশ দিচ্ছ, অথচ কিতাব পাঠ করা সত্ত্বেও নিজেদেরকে ভুলে যাও। তোমরা কি একথাটিও বুঝতে পার না? (সুরা বাক্বারা : আয়াত ৪৪)। এ আয়াতে কারিমাটি বনি ইসরাইলদেরকে উদ্দেশ্য করে নসিহত বা উপদেশ প্রদান সম্পর্কে নাজিল হয়েছে।যদিও আয়াতটি বনি ইসরাইল সম্প্রদায়কে উদ্দেশ্য করে নাজিল করা হয়েছে। কিন্তু তাতে রয়েছে মুসলিম উম্মাহর জন্য অনন্য শিক্ষা। বনি ইসরাইল সম্প্রদায় নিজেরা অন্যকে ভালো কথা ও কাজের উপদেশ দিত ঠিকই তাদের প্রতি আল্লাহর নির্দেশ

হিংসা নেক আমল ধ্বংস করে

  

পিএনএস ডেস্ক:রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা হিংসা-বিদ্বেষ থেকে বাঁচো। কেননা, হিংসা মানুষের নেক আমলকে এমনভাবে ধ্বংস করে, যেভাবে আগুন লাকড়িকে জ্বালিয়ে দেয়।’ (আবু দাউদ)। মানব চরিত্রে যেসব খারাপ অভ্যাস আছে, তারমধ্যে হিংসা ও বিদ্বেষ খুবই ক্ষতিকারক।ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ, ঈর্ষাকাতরতা, দ্বন্দ্ব ও কলহ-বিবাদ মানুষের শান্তিপূর্ণ জীবনকে অত্যন্ত বিষময় এবং দুর্বিষহ করে তোলে। এতে মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও জাতীয় জীবন বিষিয়ে ওঠে। অন্যের সুখ-শান্তি ও

কেন বিলম্বিত হয়েছিল রাসূল (সা.)-এর দাফন

  

পিএনএস ডেস্ক: মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘ভূপৃষ্ঠের সব কিছুই ধ্বংসশীল, একমাত্র আপনার মহিমাময় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া। (সুরা আর রাহমান : ২৬-২৭) আরো ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে।’ (আলে ইমরান : ১৮৫) অন্যত্র ইরশাদ করেন, ‘আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ রয়েছে।যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে, তখন তারা না এক মুহূর্ত পিছে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে।’ (সুরা আল আরাফ : ২৪, সুরা ইউনুস : ৪৯) কাজেই নবী-রাসুলদেরও মৃত্যুবরণ করা

যেসব কারণে অজু ভেঙে যায়

  

পিএনএস ডেস্ক:এক. পায়খানা ও পেশাবের রাস্তা দিয়ে কোনো কিছু বের হওয়া। যেমন বায়ু, পেশাব-পায়খানা, পোকা ইত্যাদি। [হেদায়া-১/৭]ইরশাদ হয়েছে, ‌’তোমাদের কেউ প্রসাব-পায়খানা সেরে আসলে (নামাজ পড়তে পবিত্রতা অর্জন করে নাও) (সুরা মায়িদা-৬)হজরত আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। নিশ্চয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, শরীর থেকে যা কিছু বের হয়, তার কারণে অজু ভেঙে যায়…।’ (সুনানে কুবরা লিলবায়হাকি, হাদিস নং-৫৬৮)দুই. রক্ত, পূঁজ, বা পানি বের হয়ে গড়িয়ে পড়া। [হেদায়া-১/১০]হজরত আব্দুল্লাহ বিন

ওয়াজের ময়দান কি জান্নাতের বাগানের মতো?

  

পিএনএস ডেস্ক:নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।প্রশ্ন : হুজুররা বলেন যে, যেখানে ওয়াজ হয়, সেটা জান্নাতের বাগান হয়ে যায় এবং রহমতের ফেরেশতারা তাঁদের পাহারা দেন। এটা কি সত্য ?উত্তর : না, ফেরেশতাদের ব্যাপারে সহিহ মুসলিমে যে বর্ণনাটি এসেছে সেটি হচ্ছে- ফেরেশতারা তাঁদের

রাগ নয় ক্ষমায়

  

পিএনএস ডেস্ক: দুনিয়াতে বহু অনিষ্টের কারণ হলো রাগ বা ক্রোধ। মানুষ এ রাগের বশবতী হয়ে অনেক নির্দয় ও অত্যাচারমূলক কাজ করে ফেলে। এ রাগের ফলে মানুষ সম্মানিত হওয়ার পরিবর্তে লজ্জা ও অবজ্ঞার শিকার হয়। তাই কারো দ্বারা কোনো ক্ষতি বা অন্যায়মূলক কাজ হয়ে গেলেও রাগ না করে ক্ষমা করা বা ধৈর্য ধারণ করা। কারণ রাগ নয় ক্ষমায় রয়েছে মুমিনের সাফল্য।মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো রাগকে নিয়ন্ত্রণ করা। রাগ নিয়ন্ত্রণ করে ক্ষমা প্রদর্শনে রয়েছে ইসলামের অনেক নির্দেশনা।আল্লাহ তাআলা মুত্তাকি লোকদের প্রশংসা করে বলেন, ‘যখন তারা

জাহান্নামীরা কি কখনো জান্নাতে যেতে পারবে?

  

পিএনএস ডেস্ক:নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’।জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।প্রশ্ন : মানুষ তো মৃত্যুর পরে জান্নাত বা জাহান্নামে যাবে। হুজুররা বলেন, কিছু মানুষ জাহান্নাম থেকে আবার জান্নাতে আসবে।আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যারা জাহান্নামে যাবে তারা কি জান্নাতে আসবে, নাকি যারা জাহান্নামে আছে তারা জাহান্নামেই

ভয়ংকর যে সাত খাদ্য দেয়া হবে জাহান্নামিদের

  

পিএনএস ডেস্ক:জাহান্নাম অকৃতজ্ঞ বান্দাদের আজাবঘর। যারা আল্লাহকে অস্বীকার করেছে, আল্লাহর বিধানকে অমান্য করেছে তাদের শাস্তি প্রদান করার জন্য এ জাহান্নামের সৃষ্টি। জাহান্নামের খাদ্য ও পানীয় সবই হবে জাহান্নামিদের শাস্তির অংশ। জাহান্নাম সবসময় জ্বলমান। কখনও দুর্বল হবে না, কখনও নিভবে না। এর অধিবাসীদের আজাবও স্থায়ী। তারা সেখান থেকে সাহায্য চাইবে; কিন্তু সাহায্যকারী থাকবে না। জাহান্নামিরা আজাবের চোটে চিৎকার করবে, কাঁদবে এবং খাবার চাইবে। তখন তাদের সামনে এমন খাবার উপস্থিত করা হবে, যার কারণে তাদের

যে কারণে ওসমান (রা.) কবরের পাশে কেঁদে জারজার হতেন ...

  

পিএনএস ডেস্ক: এক পথিক জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে দূরের কোন গন্তব্যে যাচ্ছিল। হিংস্র জানোয়ারের আক্রমন থেকে বাঁচার জন্য চারিদিকে সতর্ক দৃষ্টি রেখে ভয়ে ভয়ে পথ অতিক্রম করছিল। আর কিছুদূর যেতে পারলেই জঙ্গল শেষ। হঠাৎ দেখল দূরে একটি বাঘ তার দিকে তাকিয়ে আছে। দেখামাত্রই কোন রকম চিন্তা ব্যতিরেকে সে বিপরীত দিকে প্রাণপনে দৌড়াতে লাগল। দৌড়াতে দৌড়াতে দেখে সামনে একটা কুয়া। বাঘ ও প্রায় কাছে এসে পড়েছে। বাঘের কবল থেকে বাচার জন্য সে কুয়াতেই ঝাঁপ দিয়ে পড়ল।কুয়াটি পরিত্যক্ত, ভিতরে গাছ গাছালিতে পূর্ণ, অন্ধকার।

রাসুল (সা.) এর জন্মের সময় যে অলৌকিক ঘটনাগুলো ঘটেছিলো

  

পিএনএস ডেস্ক:মুহাম্মাদ (সা.) মোহাম্মদ এবং মুহম্মদ নামেও পরিচিত। তার পুরো নাম আবু আল-কাশিম মুহাম্মাদ ইবনে ʿআবদুল্লাহ ইবনে ʿআবদুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম (ابو القاسم محمد ابن عبد الله ابن عبد المطلب ابن هاشم) হলেন ইসলামের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব এবং ইসলামী বিশ্বাসমতে আল্লাহ বা ঈশ্বর কর্তৃক প্রেরিত সর্বশেষ নবী তথা “বার্তাবাহক” (আরবি : الرسول আর-রাসুল) যার উপর ইসলামী প্রধান ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে।অমুসলিমদের মতে তিনি ইসলামী জীবন ব্যবস্থার প্রবর্তক। অধিকাংশ ইতিহাসবেত্তা ও বিশেষজ্ঞদের

Developed by Diligent InfoTech