ইসলাম

ইসলামে ধূমপান এবং পান খাওয়া মাকরূহ না হারাম?

  

পিএনএস ডেস্ক: ইসলামে ধূমপান অনুমোদিত কিনা এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞগণ বিভিন্ন ফতোয়া দিয়েছেন।পূর্ববর্তী আলেমরা সে সময়ে বলেছিলেন, এটা মাকরূহ।এখন বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে বিশেষজ্ঞদের মতামতটাও পরিবর্তিত হয়েছে। কেননা সূরা বাকারার ১৯৫ নং আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “তোমরা তোমাদের নিজেদের হাতে নিজেদের ধ্বংসের মুখে নিক্ষেপ করো না “বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতিবছর ১০ লাখের বেশি মানুষ মারা যায় ধূমপানের কারণে। যারা ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা যায়, তাদের মধ্যে ৯০% হল ধুমপানের কারণে। যারা

ডিটারজেন্টের পানি কি পাক, না নাপাক?

  

পিএনএস ডেস্ক: প্রশ্ন : ডিটারজেন্টের পানি কি নাপাক? এই পানি গায়ে লাগলে কি নামাজ হবে?উত্তর : না, নাপাক হওয়ার কোনো কারণ নেই। ডিটারজেন্টের পানি পাক কিন্তু যেহেতু রঙ পরিবর্তন হয়ে যায়, এই জন্য এটি মোতাহহের না, তাহের অর্থাৎ পবিত্র। অর্থাৎ এই পানি অন্য জিনিসকে পবিত্র করতে পারবে না।পানির তিনটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে তাহের, অর্থাৎ যা নিজে পবিত্র, কিন্তু অন্য জিনিসকে পবিত্র করতে পারে না।আরেকটি হচ্ছে মোতাহহের, অর্থাৎ এটি পবিত্র এবং পবিত্রতা এর মাধ্যমে হাসিল করা যায়।

জান্নাতের সুপারিশ বিনিময়ে মাথার টিউমার অপারেশন, পড়বেন তবে কাঁদবেন না!

  

পিএনএস ডেস্ক : ৩১ ডিসেম্বর, রাত তখন ১১.৩০ মিনিট। ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হসপিটাল, কাকরাইল। অপারেশন থিয়েটারের বাইরে অপেক্ষমান হাফেজে কুরআন বালকটির স্বজনরা। সঙ্গে তার ওস্তাদ হাফেজ মাওঃ আহমদুল্লাহ।বাবা মায়ের চোখে পানি এক বুক শঙ্কা এবং আশা নিয়ে প্রিয় সন্তানের গুরুতর অপারেশনটি সফল হবার জন্য মালিকের দরবারে রোনাজারীতে মগ্ন। এরই মধ্যে সার্জন ডাঃ মাহফুজুর রহমান স্যার ওটির দরজা খুলে বের হলেন। রাত ১২.১০ মি.।ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তখন ২০১৮ সালের প্রথম প্রহর! ডাক্তার বেরিয়ে হাসিমুখে বললেন, আপনাদের

সৌদি নারীদের বোরকা পরতে হবে না বলে শীর্ষ ধর্মীয় নেতার ফতোয়া

  

পিএনএস ডেস্ক : সৌদি আরবের একজন শীর্ষ ধর্মীয় নেতা বলেছেন, সেদেশে মেয়েদের 'আবায়া' বা বোরকা পরতেই হবে এমন কোন ব্যাপার নেই। মেয়েদের আব্রু বজায় রেখে পোশাক পরতে হবে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাদের আবায়া পরতে হবে।সৌদি আরবে মেয়েরা পা পর্যন্ত পুরো শরীর ঢেকে রাখা যে ঢিলেঢালা আচ্ছাদন ব্যবহার করে, তাকে আবায়া বলে। সেখানে আবায়া না পরে বাইরে যেতে দেখা যায় কম মহিলাকেই। সেখানে এটি পরা আইনত বাধ্যতামূলক।কিন্তু সৌদি আরবের 'কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলারস' বা সবচেয়ে বয়েজ্যোষ্ঠ ধর্মীয় চিন্তাবিদদের

জাহান্নাম থেকে আত্মরক্ষার ঘোষণা

  

পিএনএস ডেস্ক: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরবের শ্রেষ্ঠ শ্রেষ্ঠ বংশগোত্রের লোকদেরকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহর হুকুম পালন এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার ব্যাপারে ঘোষণা দিয়েছেন। তারা যেন আল্লাহর বিধানের যথাযথ বাস্তবায়ন করে। আত্মীয়তার সম্পর্ক আদায় করে।যদি আল্লাহর বিধান মতো নিজেদের পরিচালিত না করে, সে ব্যাপারে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কিছুই করার থাকবে না। যদি সে হয় প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাণপ্রিয় মেয়ে হজরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা। হাদিসে পাকে

ইসলামের দৃষ্টিতে ‘ভালোবাসা দিবস’

  

পিএনএস ডেস্ক: ১৪ ফেব্রুয়ারি! বর্তমান বিশ্বে এ দিনকে ভ্যালেন্টাইন ডে (বিশ্ব ভালোবাসা দিবস) নামে উদ্যাপন করা হয়। ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে এ দিবস অত্যন্ত আড়ম্বর, জাঁকজমকপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। এর সূচনা মধ্যযুগে হলেও নব্বই দশকের শুরু থেকে বিশ্বব্যাপী এর প্রসার ঘটে। আশির দশকেও বাংলাদেশের মানুষ এ দিবসটির সঙ্গে ছিল অনেকটা অপরিচিত। তবে নব্বইয়ের দশক থেকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সহযোগিতায় ও মিডিয়ার কল্যাণে এ দেশের যুবসমাজের মাঝে তা ছড়িয়ে পড়ে। ভালোবাসা দিবসের উৎস নিয়ে নানা মত প্রচলিত

নিজে আমল না করে অন্যকে নসিহত করা সম্পর্কে

  

পিএনএস ডেস্ক: আল্লাহ তাআলা কুরআনে পাকে ইরশাদ করেন, ‘তোমরা মানুষকে সৎ কাজের নির্দেশ দিচ্ছ, অথচ কিতাব পাঠ করা সত্ত্বেও নিজেদেরকে ভুলে যাও। তোমরা কি একথাটিও বুঝতে পার না? (সুরা বাক্বারা : আয়াত ৪৪)। এ আয়াতে কারিমাটি বনি ইসরাইলদেরকে উদ্দেশ্য করে নসিহত বা উপদেশ প্রদান সম্পর্কে নাজিল হয়েছে।যদিও আয়াতটি বনি ইসরাইল সম্প্রদায়কে উদ্দেশ্য করে নাজিল করা হয়েছে। কিন্তু তাতে রয়েছে মুসলিম উম্মাহর জন্য অনন্য শিক্ষা। বনি ইসরাইল সম্প্রদায় নিজেরা অন্যকে ভালো কথা ও কাজের উপদেশ দিত ঠিকই তাদের প্রতি আল্লাহর নির্দেশ

হিংসা নেক আমল ধ্বংস করে

  

পিএনএস ডেস্ক:রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা হিংসা-বিদ্বেষ থেকে বাঁচো। কেননা, হিংসা মানুষের নেক আমলকে এমনভাবে ধ্বংস করে, যেভাবে আগুন লাকড়িকে জ্বালিয়ে দেয়।’ (আবু দাউদ)। মানব চরিত্রে যেসব খারাপ অভ্যাস আছে, তারমধ্যে হিংসা ও বিদ্বেষ খুবই ক্ষতিকারক।ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ, ঈর্ষাকাতরতা, দ্বন্দ্ব ও কলহ-বিবাদ মানুষের শান্তিপূর্ণ জীবনকে অত্যন্ত বিষময় এবং দুর্বিষহ করে তোলে। এতে মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও জাতীয় জীবন বিষিয়ে ওঠে। অন্যের সুখ-শান্তি ও

কেন বিলম্বিত হয়েছিল রাসূল (সা.)-এর দাফন

  

পিএনএস ডেস্ক: মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘ভূপৃষ্ঠের সব কিছুই ধ্বংসশীল, একমাত্র আপনার মহিমাময় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া। (সুরা আর রাহমান : ২৬-২৭) আরো ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে।’ (আলে ইমরান : ১৮৫) অন্যত্র ইরশাদ করেন, ‘আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ রয়েছে।যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে, তখন তারা না এক মুহূর্ত পিছে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে।’ (সুরা আল আরাফ : ২৪, সুরা ইউনুস : ৪৯) কাজেই নবী-রাসুলদেরও মৃত্যুবরণ করা

যেসব কারণে অজু ভেঙে যায়

  

পিএনএস ডেস্ক:এক. পায়খানা ও পেশাবের রাস্তা দিয়ে কোনো কিছু বের হওয়া। যেমন বায়ু, পেশাব-পায়খানা, পোকা ইত্যাদি। [হেদায়া-১/৭]ইরশাদ হয়েছে, ‌’তোমাদের কেউ প্রসাব-পায়খানা সেরে আসলে (নামাজ পড়তে পবিত্রতা অর্জন করে নাও) (সুরা মায়িদা-৬)হজরত আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। নিশ্চয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, শরীর থেকে যা কিছু বের হয়, তার কারণে অজু ভেঙে যায়…।’ (সুনানে কুবরা লিলবায়হাকি, হাদিস নং-৫৬৮)দুই. রক্ত, পূঁজ, বা পানি বের হয়ে গড়িয়ে পড়া। [হেদায়া-১/১০]হজরত আব্দুল্লাহ বিন

Developed by Diligent InfoTech