পাঠকের চিঠি

হেমন্ত

  

পিএনএস, লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল :হেমন্তে শিশির ভেজা সকালেসূর্যের আলো ঝিলমিল করে,শেষ রাতে কুয়াশা পড়েশীতের আমেজ ভোরের বাতাসে।শরতের শেষে হেমন্ত আসেকাঁচা-পাকা ধান আনন্দে হাসে,অবনত বঙ্গ বধুর বেশেনবান্ন তোলে হেসে হেসে।বিকেলে পাখিরা সব কলরব করেসন্ধ্যায় তারা ঘরে ফেরে,ঝিঁঝিঁ পোকা গান করেপল্লী বাংলার বুক চিরে,হেমন্তে আনন্দ নদীর তীরেঅপরূপ সৌন্দর্য বহন করে।লেখক: লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

আত্মহত্যাই কি শেষ সমাধান ছিল?

  

পিএনএস (মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল) : গতকাল (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় এক স্কুল শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। ১০শ্রেণীর এই শিক্ষার্থী পরিক্ষায় ফেল করে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।কিছুদিন পূর্বে তার পিতার মৃত্যুবরণ অন্যদিকে পরিক্ষায় ফেল, এটাই কি ছিল আত্মহত্যার কারণ?আল্লাহ’র প্রদত্ত সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ।মানুষ শব্দটি যদি বিশ্লেষণ করি তাহলে হয়- মান+হুশ। অথ্যাৎ যেমনি মানের অধিকারী হতে হবে, তেমনি হুশ-জ্ঞান থাকাটা জরুরী।সংক্ষিপ্ত জীবনে চলতে হলে কত রকমের বাধা-বিপত্তি আসে। তার মানে এই না

‘যে পাপ করেছি, তার প্রায়শ্চিত্ত তো করতেই হবে!’

  

পিএনএস ডেস্ক :মিডিয়া আজ ৩০ বছর থেকে আমাকে এর ওর সঙ্গে শোয়াচ্ছে, এর ওর সঙ্গে বিয়ে দিচ্ছে, নানা কিসিমের কেচ্ছা লিখছে আমাকে নিয়ে, বানিয়ে আমার সাক্ষাতকার ছাপাচ্ছে, সম্প্রতি আমার একটি সন্তান প্রসব করেছে মিডিয়া, এরপর প্রসব করবে আমার নাতি পুতি।কাহাতক আর সওয়া যায়! কিন্তু সয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় নেই আমার।নারী-পুরুষের সমানাধিকার, সমতার সমাজ, বৈষম্যহীন পৃথিবী গড়ার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লেখালেখি করে যে পাপ করেছি, তার প্রায়শ্চিত্ত তো করতেই হবে!পিএনএস/এএ

দুজনেরই চরিত্র নেই!

  

পিএনএস ডেস্ক :পাকিস্তানি স্বামীকে তালাক দিলেও মাসুদা সেই স্বামীর ভাট্টি পদবী নামের সাথে গর্বের সাথেই যুক্ত রেখেছেন।চরিত্র থাকলে,আত্নমর্যাদা থাকলে কেউ এটা করে? পাকিস্তানের প্রতি ঘৃণার বদলে দরদ না থাকলে কেউ পাকিস্তানি বিয়ে করে?তসলিমা যা বলেছেন নতুন করে আপাতত বলার কিছু নেই।ব্যরিষ্টার মঈনুল হোসেন আদর্শহীন নৈতিক চরিত্রহীন বলেই বঙ্গবন্ধুকে ছেড়ে খুনী মুশতাকের দল ডিএলের এক নম্বর সদস্য হয়ে সেনাশাসক জিয়ার জেল খাটেন।ক্ষমতার খায়েশ আছে বলেই ওয়ান ইলেভেন সরকারের উপদেষ্টা হয়ে এখন ঐক্যফ্রন্টে।এদের

‘এমপির মেয়েকে’ নিয়ে একি বললেন তসলিমা নাসরিন!

  

পিএনএস ডেস্ক : রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরের স্কলাস্টিকা স্কুলের সামনে ডাবল লেনে পার্কিং করে রাখা প্রাইভেটকারটিকে সরিয়ে দিতে অনুরোধ করতে করতে এগোচ্ছিলেন ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট ঝোটন সিকদার। কিন্তু গাড়ির ভেতরে থাকা নারী তার সেই বিনীত অনুরোধের জবাবে উল্টো নিজেকে এমপির মেয়ে দাবি করে হুমকি-ধামকি দেন। সার্জেন্ট ঝোটন সেই হুমকির ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেন। মূহুর্তেই তা ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। বইতে থাকে সমালোচনার ঝড়।ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়িতে বসা ওই নারী সার্জেন্টকে হুমকি দিয়ে

ধর্ষণ রাজ্যপুরি হচ্ছে বাংলাদেশ!

  

পিএনএস (এস এম শামীম) : সারাদেশে ধর্ষণ এখন নিত্যদিনের ঘটনা। বর্তমান সময়ে টেলিভিশন, সংবাদপত্রসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চোখ পড়লেই দেখা যায় ধর্ষণের খবর। গত কয়েক মাসে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের সংখ্যা কত তার সঠিক হিসাব মেলানোও সম্ভব হবে না। কিন্তু কেন হচ্ছে এমন? কেন প্রতিবাদ করে ধর্ষণ প্রতিরোধ করতে পারছি না আমরা? আমরা কি ধর্ষকদের কাছে জিম্মি? নাকি আমরা প্রতিবাদে অক্ষম? কেন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে কাঁপছে না এদেশ? বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ধর্ষণ একটি মারাত্মক

বন্ধ হোক ভিক্ষা বাণিজ্য?

  

পিএনএস, (মুহাম্মদ হাসান মাহমুদ ইলিয়াস) : পা ভাঙ্গা অথচ হুইল চেয়ারে বসে চা বিক্রি করেন কিংবা অটোরিক্সা চালান,মহিলা হয়েও চলন্ত বাসে চকলেট বিক্রি করেন ,লম্বায় খাটো হওয়ার পরেও ড্রাইভারের সিটে বসতে না পেরে দাঁড়িয়ে থেকে সারাক্ষণ ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও গান গেয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন, এমনকি অন্ধ হওয়ার পরেও ভিক্ষা না করে নিজে পেডেল দেন আর ছেলেকে ভ্যানের সামনে বসিয়ে ভ্যানের হ্যান্ডেল ঠিক রাখেন ,আশি বছরের মত বৃদ্ধ হয়েও ভিক্ষা না করে পাপড় বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন ।

যে কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমর্থন করেন তসলিমা নাসরিন!

  

পিএনএস ডেস্ক : বাংলাদেশের স্কুলছাত্ররা দেশ বদলে ফেলবে, এমন অসম্ভব কল্পনা আমি করিনি। এই অদ্ভুত কল্পনাও আমার আশেপাশে আসেনি যে, স্কুলের ছাত্রদের অনুরোধে বা আদেশে বাংলাদেশের কোনও গাড়িচালকই আর লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাবেন না, মোটরসাইকেল চালকরা হেলমেট পরবেন, সবাই ট্রাফিক আইন পালন করবেন। দু’তিন দিনের মধ্যে ছাত্ররা যে পরিবর্তন এনেছিল ঢাকার রাস্তায়, তা শুধু আমাকে নয়, অনেককেই মুগ্ধ করেছে। কিন্তু যে কোনও সফল আন্দোলনের মধ্যে যেমন মন্দ লোকেরা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ আদায় করতে ঢুকে যায়, নিরাপদ সড়কের এই

ইয়াবা-বদি কাহিনী !

  

পিএনএস (তরিক রহমান) : ‘সাত দিন ধরে ধৈর্য ধরেছি। আজকে পুলিশকে অপমান করা হয়েছে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগ অফিসের দিকে গোলাগুলি করতে করতে আসবে, তো তাদেরকে কী বল প্রয়োগ করবে না কি চুমু খাবে?’ হুবহু এই কথাটিই একটি টিভি সাক্ষাৎকারে সরাসরি বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ায়দুল কাদের।এই বক্তব্য শুনে একজন বলছেন, ‘শাহজান খান’ থেকে ‘চুমু খান’ ভালো, কেননা চুমু খেতে প্রেম লাগে, আর ধর্ষণ করতে শক্তি লাগে।’আমি বলি কী, কাদের সাহেব, আপনি কোমলমতি শিশুদের বাঁচতে চাওয়া আন্দোলনে গিয়ে চুমু খেয়ে ক্ষমা

‘সত্য বলতে গিয়ে তিনি হয়ে গেলেন জামাত!’

  

পিএনএস ডেস্ক :টিউশনি শেষ করে ২০০৪ সালে নভেম্বর মাসের কোন এক রাতে ষোল শহর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। ৮.৩০ মিনিটে ট্রেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্দেশ্য ছেড়ে যাবে।কিছু দূরে আমার প্রিয় শিক্ষক জনাব আলী আর রাজী স্যারের মত কাকে যেন দেখা যাচ্ছে। আমি এগিয়ে গেলাম। সামনে যাওয়ার পর তিনি আমাকে বললেন কামাল আপনি কোথায় থেকে এলেন?বললাম স্যার, অলক স্যারের বাসায় টিউশনি শেষ করে ক্যাম্পাসে ফিরছি। কামাল আমিও আপনার সঙ্গে ট্রেনে করে ক্যাম্পাসে যাব। যদিও ট্রেন একেবারে ছাত্র ছাত্রীদের জন্য