শেরপুরে হলুদে সেজেছে ফসলের মাঠ, সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

  

পিএনএস, শেরপুর (বগুড়া) সংবাদদাতা : বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমের রকমারি ফসল চাষে ঝুঁকে পড়েছেন কৃষকরা। আর এই রবি ফসলের অন্যতম সরিষা চাষ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁরা। তাই হলুদে সেজেছে বিস্তৃত ফসলের মাঠ। এছাড়া এই ফসল চাষের জন্য এবার আবহাওয়া মোটামোটি অনুকূলে থাকায় সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। বোরো চাষের খরচ সংগ্রহ করতেই রবি ফসল চাষে মাঠে রয়েছেন তাঁরা।

স্থানীয় কৃষি অফিস জানায়, চলতি রবি মৌসুমে এই উপজেলায় ১হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে চাষ হয়েছে ১হাজার ৫০০ হেক্টর। এছাড়া ২হাজার ৮৩০হেক্টর আলু, ২হাজার ৪০০হেক্টর ভুট্টা ও ১হাজার ৬৬০হেক্টর শীতকালিন শাকসবজি চাষ করা হয়েছে বলে সূত্রটি জানায়।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এ উপজেলার কৃষকরা সরিষার পাশাপাশি রকমারি রবি ফসল চাষে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিশেষ করে খণ্ড খণ্ড জমিতে লাগানো সরিষার হলুদ ফুলের অপরুপ দৃশ্য মাঠে-প্রান্তরে শোভা পাচ্ছে। উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের জয়নাল আবেদীন, মকবুল হোসেন, বিশালপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম, সাধুবাড়ীর শহিদুল ইসলাম, রাজবাড়ী গ্রামের আয়নাল হক, মামুরশাহীর সোহেল হাজীসহ একাধিক কৃষক জানান, আসন্ন বোরো মৌসুমের খরচ সংগ্রহ করতেই তাঁরা রবিশস্য চাষে ঝুঁকে পড়েন। তাই অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও রকমারি ফসল চাষ করেছেন। তবে রবি ফসলের মধ্যে সরিষা চাষেই তাদের আগ্রহ বেশি। কারণ প্রতিবিঘা জমিতে সরিষা চাষের শুরু থেকে ঘরে ওঠানো পর্যন্ত চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়। মোটামোটি ভাল ফলন হলে উৎপাদন খরচ বাদে ১০থেকে ১২হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ হয়ে থাকে।

তবে বাজার ভাল থাকলে সরিষায় আরও বেশি মুনাফা হয়। এছাড়া রবিশস্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আবার এসব জমিতে বোরো চাষ শুরু হবে বলে এসব চাষিরা জানান। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খাজানুর রহমান বলেন, এবছর সরিষার জন্য আবহাওয়া বেশ অনুকূলে রয়েছে। রোগবালাইয়ের আক্রান্ত ছিল না বললেই চলে। সবমিলে এবার সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে এই কৃষি কর্মকর্তা দাবি করেন।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল




 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech