সুন্দরগঞ্জে আমন বীজতলায় মড়ক

  

পিএনএস, সুন্দরগঞ্জ(গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আমন বীজতলায় মড়ক রোগ দেখা দেওয়ায় চাষীরা আগামী আমন ধান রোপনে হতাশায় পরেছেন।

জানা গেছে, কৃষক আমন ধান রোপনের জন্য বীজতলা তৈরী করে বিভিন্ন জাতের আমন ধান বীজ বপন করে থাকেন। বপনের ২০-২১ দিনের মধ্যে চরাগুলো উত্তোলণ করে জমিতে রোপন করা হয়। এদিকে বীজতলা গুলোতে বীজ বপনের ১০-১২ দিনের মধ্যে চারাগুলো বিবর্ণ হয়ে বিনষ্ট হচ্ছে। কৃষক পচন ঠেকাতে বিভিন্ন বালাই নাশক ব্যবহার করেও কোন সুফল পাচ্ছেন না। সর্বানন্দ ইউনিয়নের বাছহাটি গ্রামের কৃষক মকছের আলী দেওয়ান জানান বীজতলায় চারা বীজগুলোতে যে পচন রোগ দেখা দিয়েছে তাতে আগামী আমন ধান রোপনে চারা সংকট প্রকট আকার ধারন করতে পারে বলে আসংক্ষা করা হচ্ছে।

তারাপুরের কৃষক জাহাঙ্গীর জানান, দেশীয় জাতের বীজ পর্যাপ্ত না পাওয়ায় আমদানীকৃত ভারতীয় বীজ বপন করায় এর রোগের প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। বেলকা তিস্তা বাজারের কিষাণী মিনা বেগম জানান, বীজতলা গুলোতে বিভিন্ন বালাই নাশক ব্যবহার করেও চারাগুলোকে রক্ষা করা যাচ্ছে না। অপর দিকে তিস্তার চরাঞ্চলে আমন বীজতলা গুলোতে বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় তাতে পচন ধরেছে। কৃষক নেতা ও নদী বাচাঁও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের আহবায়ক ছাদেকুল ইসলাম দুলাল বীজতলা পরিদর্শন করে বলেন- চারাগুলো পচনের হাত থেকে জরুড়ি ভিত্তিতে রক্ষা করা আশু প্রয়োজন।

কৃষি অফিস সুত্রে জানায়, চলতি আমন মৌসুমে ২৬ হাজার ৫’শ হেক্টর জমিতে আমন ধান রোপন করার জন্য ১ হাজার ২’শ হেক্টর জমিতে কৃষক বীজ বপন করেছেন। এ নিয়ে কৃষি অফিসার রাশেদুল ইসলামের সাথে কথা হলে জানান, চলমান আবহাওয়ায় বীজতলা বিনষ্ট হওয়ার কথা নয়। সার প্রয়োগ করলে এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech