ডিমলায় জিং সমৃদ্ধ ব্রি-ধান-৬২ -এর বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

  

পিএনএস, নীলফামারী প্রতিনিধি: প্রান্তিক কৃষক মোঃ জাকারিয়া সরকার ৫০ শতাংশ জমিতে জিং সমৃদ্ধ ব্রি-ধান-৬২-এর বাম্পার ফলনে তার মুখে হাসির প্রতিফলন লক্ষ করা গেছে।

এছাড়াও কৃষক মোঃ মেহেদি হাসান, ছাদিক হোসেন সহ অনেকে বলেন, বিঘা প্রতি ১৩-১৪ মণ ধান হয়েছে। এ ধান আবাদ করে অধিক ফলন পেয়ে আমরা অনেক লাভবান হয়েছি। পাশাপাশি এ ধানটি আগাম জাতের একটি ধান। যা কর্তনের ফলে এখন আমরা এ জমিতে আগাম আলু, ভূট্টা সহ নানা ধরনের ফসল লাগাতে পারবো।

জিং সমৃদ্ধ ব্রি-ধান-৬২ সম্পর্কে জানতে চাইলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা কৃষিবিভাগের খালিশা চাপানী ডালিয়া ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আল মাহামুদুল হাসান বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে রাজস্ব খাতের রোপা আমণ ধানের প্রদর্শনীয় কৃষক মোঃ জাকারিয়া সহ অত্র উপজেলার বিভিন্ন ব্লকে জিং সমৃদ্ধ ব্রি-ধান-৬২ ধানের বীজ কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়। আমরা যারা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ আছি তারা নিয়মিত মাঠ পর্যবেক্ষণে রয়েছি। প্রতি ব্লকের মাঠে দাঁড়ানো ফসলের অত্যন্তর জরিপের মাধ্যমে পোকামাকড়ের উপস্থিতি নির্ণয় সহ কৃষকের কাঙ্ক্ষিত ফলন নিশ্চিত করার পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। আশা করি এতে কৃষকগণ লাভবান হবে।

জিং সমৃদ্ধ ব্রি-ধান-৬২ এর উপকারিতা সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (কৃষিবিদ) মোঃ সেকেন্দার আলী বলেন, এ ধানটি জিং সমৃদ্ধ হওয়ায় খাদ্য চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি মানবদেহের পুষ্টির গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা পূরণের সহায়ক হবে। এছাড়াও কৃষকেরা আগাম ধান ঘরে তুলে এবং এর খড় বিক্রয় করে লাভবান হবে। এছাড়া একই জমিতে ৩ বার ফসল ফলানো সম্ভব। আশা করি আগামী অর্থ বছরে ডিমলা উপজেলায় এ ধান রোপণে কৃষকগণ আগ্রহী হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech