আজ পর্দা উঠেছে ২৩তম বাণিজ্য মেলার

  


পিএনএস ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে জোরেশোরে প্রস্তুতি নিলেও বাণিজ্য মেলার মাঠে অনেক স্টলের কাজ এখনও বেশ বাকি। এমন পরিস্থিতিতে পর্দা উঠছে মাসব্যাপী ২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ)।

এদিন সকালে মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সর্বসাধারণের জন্য মেলা উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। মেলা চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে এ মেলা।

গত কয়েক বছরের মতো এবারও ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মাঠ ইজারা পেয়েছে মির ব্রাদার্স। বরাবরের মতো এবারও মেলায় প্রবেশ ফি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৩০ টাকা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করেছে।

বাণিজ্য মেলার এবারের প্রধান গেট তৈরি হয়েছে পদ্মা সেতুর স্প্যানের (ইস্পাতের কাঠামো) আদলে। গত বছর মূল ফটক নির্মাণ হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের আদলে। মূল ফটকের পাশাপাশি এবার চমক থাকছে মেলার ভেতরেও। মূল ফটক পেরিয়ে সামনেই দেখা যাবে ডিজিটাল স্ক্রিন। ওই স্ক্রিন থেকে এক পলকেই দেখে নেয়া যাবে পুরো মেলা।

গতকাল মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, ভেতরে স্টল বুঝে পাওয়া মালিকরা নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী ডেকোরেশনের কাজে ব্যস্ত। প্রাণ-আরএফএল, হাতিল ফার্নিচার, আকতার ফার্নিচার, যমুনা ইলেকট্রনিক্স, ওয়াল্টন, নাবিস্কো, নাভানার মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান নিজেদের পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির জন্য দৃষ্টিনন্দন প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করছে।

পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকের বুথ। রয়েছে বিদেশি বিভিন্ন স্টলও। ছোট ছোট স্টলগুলোও তাদের সামর্থ অনুযায়ী সাজিয়ে তুলছে। তবে বেশিরভাগ ছোট প্রতিষ্ঠানের স্টলের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।

এছাড়া মেলায় গতবারের মতো ইকোপার্ক, শিশুপার্ক, মসজিদ, প্রতিবন্ধীদের জন্য অটিজম সেন্টার, মাদার কেয়ার সেন্টার, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত রাখা হয়েছে।
বাণিজ্য মেলায় মূল ফটক দিয়ে প্রবেশ করলেই চোখে পড়বে দৃষ্টিনন্দন বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন। অন্যবারের তুলনায় এবার প্যাভিলিয়নটি একটু বেশি দৃষ্টিনন্দন করে সাজানো হয়েছে। প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য থাকছে আলাদা পথ।

ভিআইপি গেট দিয়ে প্রবেশ করলেই হাতের ডানে দেখা যাবে মেলা মাঠের ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের কক্ষ। একই স্থানে রয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো কর্মকর্তা ও মেলার সদস্য সচিবের কক্ষ। এছাড়া মেলার মাঝ বরাবরও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির অপর একটি কক্ষ। যেখান থেকে দর্শনার্থীরা মেলা-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

মেলায় ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, নেপাল, জাপান, আরব-আমিরাতসহ কয়েকটি দেশের ব্যবসায়ীরা অংশ নিচ্ছেন।

মেলায় আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় থাকছে সিসি ক্যামেরা। পাশাপাশি থাকছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আনসার, পুলিশ, বিজিবি-র‍্যাবের পাশাপাশি কর্মরত থাকবেন সাদা পোশাকের গোয়েন্দারা।

পিএনএস/হাফিজুল ইসলাম

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech