এখন থেকে ৩২ টাকার কমে সিগারেট প্যাক পাওয়া যাবে না

  

পিএনএস ডেস্ক : প্রস্তাবিত বাজেটে (২০১৮-১৯) সিগারেট ও বিড়ির শুল্ক ও কর বৃদ্ধি করেছে সরকার। এর ফলে এখন থেকে ৩২ টাকার কমে সিগারেট প্যাক পাওয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) আগামী অর্থবছরের জন্য বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

তিনি বলেন, ‘নিম্নতম স্তরের সিগারেট মূল্য আগামী বছরে হবে ৩২ টাকা বা তদূর্ধ্ব এবং সেখানে সম্পূরক শুল্ক হবে ৫৫ শতাংশ। মধ্যম স্তরে দশ শলাকার সিগারেটের মূল্য হবে ৪৮ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক হবে ৬৫ শতাংশ। উচ্চস্তরে দশ শলাকার সিগারেটের মূল্য হবে ৭৫ টাকা ও ১০১ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক হবে ৬৫ শতাংশ। একইসঙ্গে আগামী দিনের লক্ষ্যমাত্রা হবে নিম্নতম স্তর ৭৫ টাকায় উন্নীত করা যেখানে সম্পূরক শুল্ক হবে ৬৫ শতাংশ। তদুর্ধ্বে হয়তো তখন থাকবে একটি সুপিরিয়র স্তর যেখানে সম্পূরক শুল্ক হবে উচ্চতর।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিড়ির ভয়াবহতা সিগারেটের চেয়ে বেশি। বর্তমান আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ফলে বিড়ির ব্যবহারকারী কমে যাচ্ছে। বর্তমানে এ খাতে নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যাও পূর্বের তুলনায় কম। গত বছর আমরা ঠিক করেছিলাম যে, বিড়ি উৎপাদন ২/৩ বছরের মধ্যে নিঃশেষ করা হবে। আগেই বলেছি যে, এদেশ থেকে তামাক নিঃশেষ করার সীমানা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সাল নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সেই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিড়ির উৎপাদন ২০৩০ সালে এবং সিগারেটের উৎপাদন ২০৪০ সালে নিঃশেষ করার সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। তাই এবার বিড়ির মূল্য বাড়ানো হবে না। তবে ফিল্টারযুক্ত বিড়ির ক্ষেত্রে ২০ শলাকার প্যাকেটের মূল্য ১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা করা হবে।’

এছাড়া, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিড়ি-সিগারেটের মত ভয়াবহ আরেকটি পণ্য হলো জর্দা ও গুল। এগুলোর ব্যবহার সরাসরি হওয়ায় শরীরের উপর এর বিরূপ প্রভাবও বেশি। তাই শুল্ক করের আপাতন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে জর্দা ও গুলের ওজনভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ করার সুপারিশ করছি। এক্ষেত্রে প্রতি দশ গ্রাম জর্দা ও গুলের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি ২৫ টাকা। যেখানে সম্পূরক শুল্ক হবে ৬৫ শতাংশ।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech