বাঙালি জাতিসত্তাকে ধারণ করার আহ্বান বেরোবি উপাচার্যের

  

পিএনএস, বেরোবি প্রতিনিধি : বাংলার ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি লালনের সাথে পালিত সকল পর্ব অতপ্রতভাবে জড়িয়ে আছে। আবহমান কাল ধরে বিভিন্ন উৎসবের চর্চা বাঙ্গালি সংস্কৃতির অন্যতম অংশ হিসেবে বিবেচ্য। সকলকে শিল্প-সংস্কৃতিসহ বাঙ্গালি জাতি সত্ত্বাকে ধারণ করতে হবে। শনিবার নতুন বর্ষ ১৪২৫ উদযাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ।

দুই দিন ব্যাপী নববর্ষ বরণ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে সকালে উদ্বোধনী যন্ত্রবাদন, মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, শুভেচ্ছা কথন ও বর্ষবরণ সংগীত, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিকালে বৈশাখী কনসার্টের আয়োজন করা হয়।

১৪ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে যন্ত্রবাদনের মধ্যদিয়ে বাংলা বর্ষবরণ ১৪২৫ উদ্যাপন শুরু করা হলেও মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল সাড়ে ৯টায় বর্ণিল মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে। শোভাযাত্রাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ।

মঙ্গল শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে মর্ডাণ মোড় প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসে ফিরে আসে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে সবগুলো বিভাগের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী বিভিন্ন স্টলের বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় পহেলা বৈশাখকে ঘিরে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান এবং পরে রংপুরের জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদ অংশগ্রহণে বর্ষবরণ সংগীত পরিবেশিত হয় ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত সকল অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতায় প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. তাজুল ইসলাম, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন জনাব ফেরদৌস রহমান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর ড. আবু কালাম মোঃ ফরিদ উল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. গাজী মাজহারুল আনোয়ার, কলা অনুষদের ডিন ও পহেলা বৈশাখ ১৪২৫ উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. পরিমল চন্দ্র বর্মণ।

দিনব্যাপী বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। বিকালে বৈশাখী কনসার্ট-এর পর দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপনী হবে।

এর আগে শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে চৈত্র সংক্রান্তি উৎসবে ঘুড়ি উড়ানো, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে লোকনৃত্য, ভাওয়াইয়া গান এবং ‘ওরাঁও আদিবাসি শিল্পীদের নৃত্যানুষ্ঠান’ অনুষ্ঠিত হয়।


পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech