ডিমলায় কৃর্তিত্বের সহিত গোল্ডেন জিপিএ প্রাপ্ত তিন শিক্ষার্থী

  

পিএনএস, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি : মেধার সঠিক পরিচালনা, অধ্যাবসায় ও সাধনার ফল যে সু-মিষ্টি হয় তারই উজ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে এই তিন শিক্ষার্থী। তারা হল (১) মোছা: নাজমা আক্তার সে নীলফামারী ডিমলা উপজেলার ৮ নং ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলি ৩নং ওয়ার্ডের বাসীন্দা মোঃ নুর হোসেন’র মেয়ে । নুর হোসেন পেশায় একজন ছোট খাট কাচাঁমাল ব্যবসায়ী। সংসারে ২ মেয়ে ১ ছেলে তার। নাজমা হাজি জহরতুলা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৯৬৫ মার্ক পেয়ে গোল্ডেন প্রাপ্ত হয়ে উত্তিন্ন হয়েছে । সে বড় হয়ে ডাক্তার হতে চায়। তার পিতা ও মাতা মমিনা বেগম বলেন, মেয়ের ভবিষ্যৎ মেয়েকেই গড়াতে হবে।শত দুঃখ কষ্ট হলেও আমরা আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যাব ,বাকী সব আল্লাহর ইচ্ছা। এর পাশা পাশি পাড়া প্রতিবেশি ও দেশবাসীর কাছে সহযোগীতা এবং দোয়া চাই।

(২) মোঃ রিফাত আল মবিন। পিতা মো: রফিকুল ইসলাম পেশায় চাকুরীজিবি। তিনি উপজেলার নাউতারা গ্রামীণ ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক। মাতা মোছা: মহসেনা ইসলাম ( গৃহিণী) তার গ্রামের বাড়ী নীলফামারী জেলার সদর গোড় গ্রামে। সে নীলফামারী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৯৪৬ মার্ককে গোল্ডেন প্লাস পেয়ে সুনামের সাথে কৃতকার্য হয়েছে। সে বড় হয়ে একজন আদর্শ শিক্ষক হতে চায়। তার এ সাফল্যের পিছনে কার বেশি অনুপ্রেরণা রয়েছে এ ব্যপারে সে জানায়, আমার বাবা ও মা এবং বড় বোন মোছা: উম্মে হাবিবা। আমি আমার গুরুজন ও দেশ বাসীর কাছে দোয়া চাই, যেন আমি কাঙ্খিত লক্ষে পৌছাতে পারি।

(৩)মো: নসিবুর রহমান নসিব পিতা মো: মোশারফ হোসেন মিন্টু , সাবেক চেয়ারম্যান নাউতারা ইউনিয়ন পেশায় একজনসমাজ সেবক ও রাজনৈতিকবিদ। মাতা মোছা: নাজমুন নাহার (গৃহিণী) এবারে নসিবুর রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল এ্যান্ড কলেজ হতে এস.এস.সি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ হতে ৯৮৩ নাম্বার পেয়ে প্রতিষ্ঠানের সেরা কৃতকার্যতা অর্জন করেছে। সে তার বাবা-মায়ের স্বপ্ন পুরনের পাশা-পাশী হতে চায় একজন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস সদস্য ( প্রশাসন) তার এই গৌরবময় ফলাফলের পিছনে অনু প্রেরনার উৎস হিসেবে কার অবদান বেশি ছিল জানতে চাইলে সে জানায়, আমার বাবা-মা, বড় বোন ইসরাত জাহান মুন্নি ও চাচ্ছু আবুল কালাম আজাদ সেই সাথে আমার অক্লান্ত পরিশ্রমের সাথে সব সময় পাশে থেকে অবিভাবকের মত উৎসাহ-উদ্দীপনা যোগিয়েছিলেন আমিনা খাতুন শিক্ষালয় প্রতিষ্ঠানের ম্যাজ পরিচালক প্রভাষক আলতাফ হোসেন। নসিবুরের পিতা চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বলেন, অধ্যবধি আমার সন্তানের সাথে বন্ধু সলভ ছাড়া কোনদিন চোঁখে চোঁখ রেখে কথা হয়নি। তিনি আরওবলেন, একটি মেধাবী সন্তান হতে পারে আগামী দিনে সোনার বাংলাদেশ গড়ার কারিগড়। তাই প্রতিটি পরিবারের সন্তানরা যেন পিতা-মাতার সঙ্গে বন্ধু সূলভ ভাব রেখে তাদের স্বপ্ন পুরণের লক্ষে পৌছাতে পারে সে কামনাই করি।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech