জবি শিক্ষককে সাময়িক অব্যহতি

  

পিএনএস ডেস্ক : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে একজন সহকারী অধ্যাপককে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অব্যহতি পাওয়া শিক্ষকের নাম ড. ফেরদৌসী খাতুন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ইউনিট-১ ভর্তি পরীক্ষা চলার সময় দায়িত্বে গাফিলতির কারণে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে সোমবার সন্ধ্যায় জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান।

জানা যায়, বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যানের অভিযোগের ভিত্তিতে ড. ফেরদৌসী খাতুনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। কিন্তু তার দাখিল করা জবাব ও তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয় পারষ্পরিক সাংঘার্ষিক হওয়ায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

কলা অনুষদের ডীন ড.আতিয়ার রহমানকে আহ্বায়ক করে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড.শাহজাহান এবং সহকারী রেজিস্ট্রার অ্যাডভোকেট রঞ্জন কুমার দাস।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ সেপ্টেম্বর জবি ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের ইউনিট-১, বিজ্ঞান শাখার ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের বাংলা বিভাগের ৩৩৩ নাম্বার কক্ষে দায়িত্বরত ছিলেন ড. ফেরদৌসী খাতুন। তিনি পরীক্ষার শুরুর ২০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত অন্য শিক্ষকদের না জানিয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরপত্র ব্যাগে করে নিয়ে পরীক্ষার হল ভবনের তিন তলা থেকে দুই তলার দিকে যান। এসময় পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্বরত অন্যান্য শিক্ষকরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে তার গতিরোধ করে। তার ব্যাগে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র নেওয়ার কারণ জানতে চান। পরে পরীক্ষার বিধি বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করায় বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আরজুমন্দ আরা বানু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সহকারী অধ্যাপক ড. ফেরদৌসি খাতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

এরই মধ্যে ড.ফেরদৌসি খাতুনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া বাংলা বিভাগে তার চলমান সকল দায়িত্ব পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও নম্বরপত্র বিভাগীয় চেয়ারম্যানের নিকট জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech