নোবেলের যে আসল চেহারা ফাঁস করলো কলকাতা মিডিয়া!

  

পিএনএস ডেস্ক: সম্প্রতি মাইনুল আহসান নোবেলের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে তার একটি পুরনো সাক্ষাৎকারের অংশ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হয়ে হয়। চতুর্দিক থেকে আসছে নিন্দা।

এর মধ্যে আরও একটি তথ্য জানাল কলকাতার একটি সংবাদ মাধ্যম। জানা গেছে ‘সারেগামাপা’ প্রতিযোগীতা চলার সময় অন্য প্রতিযোগীদের নাকি পাত্তা দিতেন না নোবেল। এমনকী এক বিচারককে নাকি অপমান করেছিলেন তিনি।

কলকাতার গণমাধ্যম বলছে, সেখানকার কোনও শিল্পীকেই নাকি তার যোগ্য মনে হতো না। এমনকী এক বিচারককে তিনি নাকি বলেছিলেন, তার গান বিচার করার ক্ষমতা সেই বিচারকের নেই। এমন ব্যবহারের কারণেই নাকি মঞ্চে বেশ কিছুদিন দেখা যায়নি নোবেলকে। তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।

এদিকে, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ও কয়েকটি সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, মোনালি ঠাকুরের সঙ্গে নোবেলের ঝামেলার সূত্রপাত ঘটে একটি গানের নম্বর দেয়া নিয়ে। তবে নোবেল তাকে অপমান করেননি। জানা যায়, অন্য দুইজন বিচারক নোবেলকে ৯ করে নম্বর দিলেও মোনালি নম্বর দিয়ে দেন ১০ এর মধ্যে মাত্র '৪।' এতে নোবেল অবাক হন।

মোনালি কারণ হিসেবে জানান, 'এই গানের কথাই বোঝা যায়নি।' সে পর্বের নোবেলের গাওয়া গানটি ছিল তাহসানের 'বিন্দু আমি।' নোবেল মোনালিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'গানটি আসলে এমনই আপনি শুনে দেখুন'- আর এতেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন মোনালি। যার কারণে তিনি বিচারকের আসন ছেড়ে উঠে চলে যান।

শোনা যায়, নোবেলকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছিল মোনালি ঠাকুরের নিকট। কিন্তু নোবেল বুঝে উঠতে পারছিলেন না ঠিক কী কারণে তাকে ক্ষমা চাইতে হবে।

শোনা যায়, প্রতিযোগিতার অন্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে নাকি ভাল ব্যবহার করতেন না নোবেল। বরং তার মধ্যে সবসময়ই একটা নাক উঁচু ভাব কাজ করত।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech