প্রতি জেলায় শিশু আদালতের বিল পাস

  

পিএনএস ডেস্ক : প্রতি জেলায় এক বা একাধিক শিশু আদালত স্থাপনের বিধান রেখে ‘শিশু (সংশোধন) আইন -২০১৮’ বিলটি পাস হয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে কন্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

বিলটি পাস করার প্রস্তাব করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। এর আগে বিলের ওপর আনীত জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।
আইনে ফৌজদারি অপরাধ সংঘঠনে কোন শিশু জড়িত থাকলেও পুলিশী তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রতিবেদন না দিয়ে, শিশুর জন্য পৃথক প্রতিবেদন তৈরি করার বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে শিশু হিসেবে পৃথকভাবে অপরাধ আমলে নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু কর্তৃক সংঘটিত যে কোনো অপরাধের বিচার করার জন্য প্রতি জেলায় এক বা একাধিক শিশু আদালত থাকবে। তবে যেসব জেলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল থাকবে, তা শিশু আদালত হিসেবে গণ্য হবেন।

তবে সেই ট্রাইব্যুনাল না থাকলে জেলার জেলা ও দায়রা জজ শিশু আদালত হিসেবে গণ্য হবেন। শিশু আদালত দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলি সম্পাদন করতে পারবে।
বিলের ১৫ ধারায় বলা হয়েছে, পুলিশ রিপোর্ট বা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে), অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে দাখিল করতে হবে।

বিলে আরও বলা হয়েছে, মামলা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে যেই আদালতে নিষ্পন্নাধীন সেই আদালত উদ্দ্যোগ গ্রহণ করে স্থানান্তর প্রক্রিয়া ‘শিশু (সংশোধন) আইন -২০১৮’ কার্যকর হওয়ার ৯০ কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করবে।

তবে উক্ত সময়ের মধ্যে মামলা স্থানান্তর সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে স্থানান্তরকারী শিশু আদালতের আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ আদালত আরও ৪৫ কার্যদিবস সময় বৃদ্ধি করতে পারবে।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech