দুজনেরই চরিত্র নেই!

  

পিএনএস ডেস্ক :পাকিস্তানি স্বামীকে তালাক দিলেও মাসুদা সেই স্বামীর ভাট্টি পদবী নামের সাথে গর্বের সাথেই যুক্ত রেখেছেন।চরিত্র থাকলে,আত্নমর্যাদা থাকলে কেউ এটা করে? পাকিস্তানের প্রতি ঘৃণার বদলে দরদ না থাকলে কেউ পাকিস্তানি বিয়ে করে?

তসলিমা যা বলেছেন নতুন করে আপাতত বলার কিছু নেই।ব্যরিষ্টার মঈনুল হোসেন আদর্শহীন নৈতিক চরিত্রহীন বলেই বঙ্গবন্ধুকে ছেড়ে খুনী মুশতাকের দল ডিএলের এক নম্বর সদস্য হয়ে সেনাশাসক জিয়ার জেল খাটেন।ক্ষমতার খায়েশ আছে বলেই ওয়ান ইলেভেন সরকারের উপদেষ্টা হয়ে এখন ঐক্যফ্রন্টে।এদের দুইজনেরই চরিত্র নেই।

একজন বিখ্যাত মানুষের সন্তান ও উপরতলার মানুষ।আরেকজন একপা কবরে আরেকপা মতলবে রাখা ফরমায়েশি বুড়ো লেখকদের তৈরি পুতুল লেখক।সাধারন পরিবারের সাধারন মানুষ হলেও অসাধারন অপারেশনে আজ নারী লেখক।

চরিত্রহীন কেবল যার তার সাথে শয্যায় গেলেই হয়না।নৈতিক মূল্যবোধ পেশাদারিত্বের মর্যাদা বা নিরপেক্ষতা হারালেও চরিত্রহীন।দলকানা আলোচক হয়ে পর্দায় একজনকে প্রশ্নের নামে রাজনৈতিক ধর্ষন করাও সাংবাদিকতা নয়।আর একজন টেলিফোনে ক্ষমা চাওয়ার পরেও প্রকাশ্যে চাইতে হবে এটা যেনো মামা বাড়ির আবদার।

যারা ভাট্টির পাশে দাঁড়িয়েছেন তারা পোড় খাওয়া সংগ্রামী লেখক সাংবাদিক সম্পাদক।তাদের প্রতি আমার সম্মান, মানুষের চাওয়া অনেক বেশি।আশা করবো তারা অতি আবেগতাড়িত হবেননা।সঠিক বিচার বিশ্লেষন করেই পথ হাটবেন।আমাদের সামনে এখন মানুষের ও গণমাধ্যমের মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা বড় চ্যালেন্জ।

দুই চরিত্রহীনের আক্রমন পাল্টা আক্রমনের টকশো নিয়ে দেশে এতো জাত গেলো,জাত গেলো বলে প্রতিবাদের ঝড় কেনো উঠেছে তাও যে রাজনৈতিক কারণে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। কত নারী ধর্ষিতা হয়,যৌন নিপীড়নের শিকার হয়,কত নারী লাশ হয়,কই এমন প্রতিবাদের ঝড়তো দেখিনা!গনমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কালো ধারা বাতিল বা সংশোধনে এমন সোচ্চার হতে দেখিনা!

দুটিই রাজনৈতিক চরিত্রহীন।বুকের পাটা থাকলে পছন্দের দলে যোগ দেন।একজন নাগরিক সমাজের আরেকজন লেখক সাংবাদিক পরিচয়ে কেনো এ মতলবি দলবাজি বুঝিনা!একজন মক্কেল নাই ব্যারিষ্টার আরেকজন পাঠক নাই লেখক।একজন চরম আওয়ামীলীগ বিদ্ধেষী আরেকজন সুবিধাবাদী দলদাসি।

(ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেওয়া)

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech