আহা রে! জায়ান কত যন্ত্রণা পেয়ে মরেছে

  




পিএনএস ডেস্ক: সাহরি খেলাম, এক ঘণ্টা ঘুমাবো ভাবছিলাম। কিন্তু ঘুম আসছে না কি কারণে ছোট্ট শিশু জায়ানকে জীবন দিতে হলো? পৃথিবীকে আজ কারা অবাসযোগ্য করে তুলছে? কি চায় তারা? কেন এত রক্তপাত? মানুষ মেরে একদল ধর্মের কাজ করছে বলছে?

কেউ হোটেল গির্জায় বোমা মারছে, কেউ একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার শরীক হতে পেরে গর্বিত হচ্ছে। যারা পৃথিবীকে আজ নরক বানাচ্ছে তাদের তো ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখতে হবে বিশ্বের শান্তি কামনার মানুষদের। মা-বাবা পরিবার কি করে সহ্য করবে?

আহা রে কত কষ্ট পেয়েছে নিষ্পাপ মাসুম জায়ান, এমনি জায়ানের মতো দুই শ'র অধিক মানব সন্তান কত যন্ত্রণায় ছটফট করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে। কোনো ধর্মে কি মানুষ হত্যাকে সমর্থন করে? মানুষের রক্তের রং লাল সকলের অনুভূতি এক তবে কেন হানাহানি? আমরা কি যে যার ধর্ম শান্তিতে পালন করতে পারি না?

যে কোনো বিষয়ে সব ধর্মের কিছু গোঁড়ামির মানুষ আছে তারা নিজ ধর্মে যা লেখা আছে তা পালন করে না, তারা মানব সেবায় থাকে না, তাদের আরাম আয়েশের জীবন, এ ধর্ম ব্যবসায়ীরা হানাহানি লাগাতে উস্কানি দেয়। ১লা বৈশাখ নিয়ে বক্তৃতা করে রমনায় বটমূলে কত রক্তপাত করা হয়েছিল দেশের শিল্পীগোষ্ঠীর ওপর, এরা মানুষের হাসি দেখতে পারে না, গরুর মাংস খাওয়াতে ভারতে জঘন্য নির্যাতন করছে মৌলবাদী গোষ্ঠী।

সারা বিশ্বের এ মৌলবাদীদের অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখতে হবে। বারুদের গন্ধে রক্তপাতের বিশ্ব কাম্য না, আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য শান্তিময় বিশ্ব চাই। ৭৫-এ যে পরিবার শেখ হাসিনা আপা শেখ সেলিম ভাইয়ের পরিবার দেখেছে সে বর্বরতা আবার দেখল, আমরা কোথায় নিরাপদ? মৌলবাদ কি নিপাত করতে আমরা সকলে মাঠে থেকে রুখতে পারবো? আমরা কি হাসতে পারব? -সাবিনা আক্তার তুহিন

লেখক : দশম জাতীয় সংসদের সদস্য। লেখাটি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে নেয়া

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech