নীলফামারীতে প্রসাদ খেয়ে অর্ধশতাধিক ডায়রিয়ায় আক্রান্ত, আশঙ্কায় ৬

  

পিএনএস (সবনম আক্তারী, নীলফামারী) : নীলফামারীর ডোমারে মন্দিরের প্রসাদ খেয়ে একই গ্রামের অর্ধশতাধিক ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ার খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের মধ্যে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ ২২ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এদের মধ্যে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৬ শিশুকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অনন্যারা নিজ নিজ বাড়ীতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে, জেলার ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের নয়ানী বাকডোকরা সাধুপাড়া গ্রামে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ওই গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র রায়ের একটি গাভীর গত এক মাস আগে এড়ে বাছুর জন্ম নেয়। এ জন্য তিনি শনিবার বিকালে স্থানীয় মন্দিরে প্রসাদ তৈরী করে গ্রামের লোকজনদের খাওয়ান।

এই প্রসাদ খেয়ে গ্রামের নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ অর্ধশতাধিক ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। রোববার সকাল থেকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ২২জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এদের মধ্যে বেশীর ভাগই শিশু। আক্রান্তরা হলেন, জিয়ান্ত রায়(৮), উৎসব চন্দ্র রায়((৮),পলাশ চন্দ্র রায়((১২),বিপুল চন্দ্র রায়(৭), রিপন চন্দ্র রায়(১০), অরন্য চন্দ্র রায়(৪), অর্পন চন্দ্র রায়(৭), সাথি(২), সুব্রত চন্দ্র রায়(৬), শুকাতু রায়(৬৫), দিলিপ চন্দ্র রায়(১১), কনক রায়(৭), মায়া রানী(৮), রবীন্দ্র নাথ(২), জোতিষ চন্দ্র রায়(১৪)।

হাসপাতালে জিয়ান্ত রায়ের মা রনকা রানী জানায়, শনিবার বিকেলে প্রসাদ খাওয়ার পর রাত থেকে সকলেরই বমি এবং পাতলা পায়খানা শুরু হয়। রাত যতই গভীর হতে থাকে ততই আক্রান্তের সংখা বাড়তে থাকে। এদিকে ওই গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, নিজ বাড়ীতে স্যালাইন লাগিয়ে অনেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাছিমা হক জানান, আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা বেশী। এদের মধ্যে অনেকের শরীরে খিচুনী শুরু হয়েছে। গুরুত্বর ৬ টি শিশুকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

পিএনএস/জে এ /মোহন

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech