ফুলবাড়ীতে মিল্টন চেয়ারম্যান; ভাইস-চেয়ারম্যান মঞ্জু; মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান সামসুন্নাহার নির্বাচিত

  

পিএনএস, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সোমবার (১৮মার্চ) অনুষ্ঠিত হযেছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত মোঃ আতাউর রহমান মিল্টন নৌকা প্রতীক নিয়ে ৩৫ হাজার ১৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি (স্বতন্ত্র) আনারস প্রতীক নিয়ে সুদর্শন পালিত ৩৩ হাজার ৩৮২ ভোট পান। এক্ষেত্রে ব্যবধান ১ হাজার ৭৫৫ ভোট। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটির মোঃ শফিকুল ইসলাম শিকদার হাতুরি প্রতীক নিয়ে ১ হাজার ৫৫৩ ভোট পান।

আওয়ামীলীগ মনোনীত তালা প্রতীকের প্রার্থী মঞ্জু রায় চৌধুরী পেয়েছেন ৩২ হাজার ৭১৩ ভোট পেয়ে ভাইসচেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র উড়োজাহাজ প্রতীকের প্রার্থী মোঃ মোকলেছার রহমান পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯০৬ ভোট। অপর দিকে স্বতন্ত্র টিউবয়েল প্রর্তীকের প্রার্থী আবু মুসা পেয়েছেন ৭ হাজার ৫৭০ ভোট।

আওয়ামীলীগের নীরু সামসুন্নাহার কলস প্রতীকে ৩৬ হাজার ১৯৮ ভোট পেয়ে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল প্রতীকে (বিএনপি’র সদ্য বহিস্কৃত) উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ হাসিনা পারভিন পান ২১ হাজার ২৭৪ ভোট। অপরদিকে স্বতন্ত্র হাঁস প্রতীক নিয়ে হাজেরা বেওয়া পান ১০ হাজার ৯০ ভোট। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে সকাল ৮টা থেকে উৎসবমূখর পরিবেশে অত্যন্ত কড়াকড়ি প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাসিম হাবীব বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, একজন সহকারী পুলিশ সুপার, ৬ জন পুলিশ পরিদর্শক সহ ১৭৪ জন পুলিশ সদস্য এবং ৬২৪ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সালাম চৌধুরী বলেন, উপজেলার ৫২ টি ভোট কেন্দ্রের মাধ্যমে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫২ জন পিজাইডিং কর্মকর্তা ও ৩৬৭ জন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও ৭৩৪ জন পোলিং কর্মকর্তা ভোট গ্রহণের কাজে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি (ইউএনও) নির্বাচনের সার্বিক তদারকি করলেও এর পাশাপাশি দায়িত্বে ছিলেন একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও ৩ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে একটি করে ভ্রাম্যমান আদালত ছিল। ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মাঠে সার্বক্ষণিক ভাবে তদারকি করেন।অতিরিক্ত ৫ প্লাটুন বিজিবি সদস্য রিজাভে ছিলো বলে জানা গেছে।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল




 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech