নিখোঁজের দু'দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার, বন্ধুসহ গ্রেফতার ৩

  

পিএনএস ডেস্ক : দু'দিন নিখোঁজ থাকার পর ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ওয়াকিব শিকদার (২৪) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে উপজেলার মিঠাপুর চরপাড়া বারাশিয়া নদী-সংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত যুবকের এক বন্ধুসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহত ওয়াকিব শিকদার বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের দেউলি গ্রামের জলিল শিকদারের ছেলে। তিনি আলফাডাঙ্গা কলেজে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি চার বছর ধরে আলফাডাঙ্গা পৌর শহরের নাজমা মেডিকেয়ার ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছিলেন তিনি।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে কে বা কারা ওয়াকিবকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তার পরিবার। অভিযোগ পেয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা ও ওয়াকিবের বন্ধু বিল্লাল মোল্লাকে আটক করে পুলিশ। রাতে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে ওয়াকিবকে হত্যার কথা স্বীকার করে।

আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক জিল্লুর হোসেন জানান, বিল্লালের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে মিঠাপুর চরপাড়া বারাশিয়া নদী-সংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে ওয়াকিবের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওয়াকিবের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত দেউলি গ্রামের ইমন শেখ ও রাকিব নামে আরও দুই তরুণকে আটক করা হয়েছে।

আলফাডাঙ্গা থানার ওসি রেজাউল করিম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই ওয়ামি শিকদার বাদী হয়ে বিল্লাল, ইমন ও রাকিবের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন।

ওসি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার তিন আসামি জানিয়েছে, অজ্ঞান করার উদ্দেশ্যে রড দিয়ে ওয়াকিবের মাথার পেছন দিকে আঘাত করে তারা। কিন্তু ওই আঘাতে ঘটনাস্থলেই ওয়াকিব মারা যান। পরে লাশটি ঝোপে ফেলে পালিয়ে যায় আসামিরা।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল




 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech