নিজ প্রতিষ্ঠানে নেতার ঝুলন্ত লাশ

  



পিএনএস ডেস্ক: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইফাত আহম্মেদ (২৫) আত্মহত্যা করেছেন।

রোববার সকালে সান্তাহারের ঘোড়াঘাট এলাকায় তার আউটসোর্সিং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেটের তার ফ্যানের লাগিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

তাৎক্ষণিকভাবে তার আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। তবে কেউ কেউ বলেছেন, তিনি নারীঘটিত ব্যাপারে হতাশায় ভুগছিলেন।

প্রশাসনের অনুমতিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার লাশ দাফন করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ইফাত আহম্মেদ সান্তাহারে যোগিপুকুর এলাকার ফারুক আহম্মেদের ছেলে। তিনি প্রায় এক মাস আগে ঘোড়াঘাট এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছিলেন। রোববার সকালের দিকে তিনি দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগের তার দিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

সহকর্মীরা এসে ডাকাডাকি করে তার সাড়া পাননি। পরে দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। তাকে পার্শ্ববর্তী নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আদমদীঘি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম চম্পা জানান, পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত খুব ভালো ছেলে ছিলেন। উপজেলা ছাত্রলীগের আগামী সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা মর্মাহত।

সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক আনিসুর রহমান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ছাত্রলীগ নেতা ইফাতের আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। এ ব্যাপারে পরিবারের সদস্যরাও কিছু বলতে পারছেন না। ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এলাকাবাসীর কেউ কেউ বলেছেন, ইফাত বগুড়া শহরে গোপনে বিয়ে করেছেন। তার একটা ৪-৫ বছরের বাচ্চাও রয়েছে। ছাত্রলীগে পদ পেতে বিয়ের কথা গোপন রেখেছিলেন। এ ছাড়া তিনি নারীঘটিত কোনো কারণে হতাশায় ভুগছিলেন। এ কারণ থেকে ইফাত আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। আদমদীঘি থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

পিএনএস/ হাফিজ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech