ঝাল মরিচের মিষ্টি গুণ উপকার

  



পিএনএস ডেস্ক: ঝাল খাবার দেখলে জিভে জল আসে অনেকেরই। বাঙালির প্রিয় খাবারের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে ঝাল জাতীয় খাবার। ভর্তা, ভাজা, চটপটি, ফুসকা- কোথায় নেই ঝাল। আর এসবকিছুর উৎস হলো মরিচ। কাঁচা মরিচ খেতে ঝাল লাগলেও এর উপকারিতা কিন্তু বেশ মিষ্টি।

কাঁচামরিচ খাওয়ার তিন ঘণ্টার মধ্যেই আপনার শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়। কাঁচামরিচ শরীরের মেটাবলিজম ক্ষমতা ৫০% বেশি বৃদ্ধি করতে সক্ষম।

কাঁচামরিচে আছে অ্যান্টি অক্সিডিয়েন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। ক্যান্সারের সাথে লড়াই করতে পারে কাঁচামরিচে উপস্থিত অ্যান্টি অক্সিডিয়েন্ট।

কাঁচামরিচ রক্তের কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে রাখে। যার ফলে হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। সাইনাসের সমস্যা, মাথাব্যথা, বা ঠান্ডা লাগা সারাতে জুড়ি নেই কাঁচামরিচের।

যারা অতিমাত্রায় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন তারা কাঁচামরিচ খেলে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এই ঝাল খেলে আপনার কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ কাঁচামরিচের ঝাল ব্যাথা সারাতে দারুণ কাজ করে।

কাঁচামরিচে আছে ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন যা চোখের জন্য ভালো। কাঁচামরিচের ভিটামিন টিকিয়ে রাখতে এই মরিচ তুলনামূলক অন্ধকার স্থানে রাখুন। কারণ উজ্জল আলো, বাতাস কাঁচামরিচের ভিটামিন সি নষ্ট করে দিতে পারে।

অবসাদ কাটাতে ও ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখতেও বেশ কাজের জিনিস কাঁচামরিচ।
কাঁচামরিচে প্রচুর পরিমাণ আয়রন আছে যা আপনাকে রক্ত শূন্যতা থেকে মুক্তি দেবে। এ্যানিমিয়ার রোগীরা বেশি করে এই মরিচ খেতে পারেন।


এই মরিচে উপস্থিত ভিটামিন “কে” অধিক রক্তক্ষরণ থেকে রক্ষা করে। যার ফলে কোনোভাবে আপনি আঘাতপ্রাপ্ত হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হবে না।

এই মরিচে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে যার ফলে এটি ত্বকের জন্য ভালো। এই মরিচ ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি করবে এবং আপনাকে স্কিন ইনফেকশনের হাত থেকে রেহাই দেবে।

রক্তে সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখবে কাঁচামরিচ এ কারণে ডায়েবেটিকস রোগীরাও প্রতিদিন অন্তত একটি করে কাঁচামরিচ খাওয়ার চেষ্টা করুন।
কাঁচামরিচ তাড়াতাড়ি খাবার হজম করতে সহায়তা করে।
কাঁচামরিচ ফ্যাট কমাতে কাজ করে। যার ফলে যারা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছেন তারা কাঁচামরিচ খেতে চেষ্টা করুন।

পিএনএস/হাফিজুল ইসলাম

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech