নোয়াখালীতে আ’লীগ ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষে ২ জন গুলিবিদ্ধ

  


পিএনএস, নোয়াখালী: নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৭নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সেবারহাট বাজারে (এমপি মোরশেদ আলম গ্রুপের) দলীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় গোলাগুলির ঘটনায় মোঃ ফারভেজ (২৩) ও আরাফাত (৪০) নামের দুইজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৫জন আহত হয়েছে।

আহতদের মধ্যে ফারভেজকে প্রথমে সেনবাগ সরকারি হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়াও পান ব্যবসায়ী আরাফতা, রবিউল হাসান এবং নোমান,পিয়াসকে স্থানীয় প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার ভোরে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে নোয়াখালী-০২(সেনবাগ-সোনাইামুড়ি আংশিক) আসনের এমপি মোরশেদ আলম গ্রুপের সমর্থক উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি ফিরোজ আলম রিগানের অনুসারি নোমান একই গ্রুপের সমর্থক আওয়ামীলীগ নেতা জিয়াউল হক জিয়ার অনুসারি রবিউল হাসান রবিনকে মারধর করেন। এই খবর জিয়ার অনুসারীদের কাছে পৌঁছলে তারা শক্তি সঞ্চয় করে সেবরহাট বাজারে ওঠার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জিয়া গ্রুপের দাবি এসময় ছাত্রলীগ নেতা রিগানের অনুসারিদের এলোপাথাড়ি গুলিতে ফারভেজ (২৩) ও পান দোকানী আরাফাত গুলিবিদ্ধ হন।

এদিকে ছাত্রলীগ সভাপতি ফিরোজ আলম রিগানের দাবী, এঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার ভোরে জিয়াউল হক জিয়ার অনুসারীরা মোহাম্মদপুর ইউপির রাজারামপুর গ্রামে তার বাড়িতে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে। খবর পেয়ে সেনবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করতে পারেনি।

এব্যাপারে যোগাযোগ করলে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাঈন উদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কোন পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পিএনএস/আনোয়ার

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech