সৌদির কারণে যেভাবে মারা যায় ইয়েমেনের জোড়া শিশু

  



পিএনএস ডেস্ক: মাত্র দুই সপ্তাহ হলো এই পৃথিবীতে এসেছে তারা। এরই মধ্যে পৃথিবীর হিংস্রতার শিকার। বাঁচার সম্ভানা থাকলেও বাঁচতে দেয়নি হিংস্র মানব সমাজ।

দুই সপ্তাহ আগে ইয়েমেনে জন্ম নেয় জোড়া শিশু আবদ আল-খালেক ও আবদ আল-রহিম। বিশ্বের অন্যতম দুর্ভীক্ষ পীড়িত দেশে জন্ম নেয়া দুই শিশু একটি কিডনী ও একজোড়া পা নিয়ে জন্ম নেয়। যেখানে থাকার কথা ছিল সবকিছু দুই জোড়া করে। কিন্তু তাদের হার্ট এবং ফুসফুস স্বাভাবিক পর্যায়ে আছে অর্থ্যাৎ প্রত্যেকের একটা করে আছে।

ডাক্তার জানায়, যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইয়েমেনে তাদের যথাযথ চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। যত দ্রুত সম্ভব বিদেশ নিয়ে যেতে হবে। তাহলে তাদের স্বাভাবিক করা সম্ভব।

কিন্তু সামর্থ্য থাকলেও সেটা সম্ভব হয় নি সৌদি আরবের কারণে। কারণ ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে রাজধানী সানা বিমানবন্দরে অবরোধ দিয়ে রেখেছে সৌদি আরব। অর্থ্যাৎ সেখান থেকে বিদেশে যাওয়া বা আসা কোনটাই করা যায় না।

এই বিষয়ে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, চিকিৎসার অভাবে জোড়া শিশুর মৃত্যু ইয়েমেনে স্বাস্থ্য ও কঠিন মানবিক সংকটকে নির্দেশ করে।

শুধু খালেক এবং রহিম নয় এইরকম হাজারো শিশু বা নাগরিক আছে যারা চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে। স্বামর্থ্য থাকলেও সম্ভব হচ্ছে না সৌদি আগ্রানের কারণে।

এরইমধ্যে মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্ভীক্ষপীড়িত দেশ হিসেবে নাম উঠে এসেছে ইয়েমেনের। পুষ্টি ও খাদ্যের অভাবে ইয়েমেনে জন্ম নেওয়া অধিকাংশ শিশুই এখন দুর্ভীক্ষপীড়িত।

গত ডিসেম্বরে ইয়েমেন সংকট দূর করার জন্য আমেরিকার স্টোকহোমে সৌদি আরবের সাথে আলোচনায় বসে জাতিসংঘ। যেখানে প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল সানা বিমানবন্দর খুলে দেওয়া।

মূলত সৌদি সমর্থিত সরকার পুনঃস্থাপনের জন্য ইয়েমেনে আগ্রাসন চালাচ্ছে সৌদি ও তার সমর্থিত গোষ্ঠি। এর আগে ইয়েমেনে হুদি আনসারুল্লাহদের উত্থানে পিছু হটে সৌদি সমর্থিত সরকার। বর্তমানে সে দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে হুদি আনসারুল্লাহ সমর্থিত সরকার।

পিএনএস/হাফিজুল ইসলাম

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech