জেনে নিন ইসলামে পর্দার গুরুত্ব!

  

পিএনএস ডেস্ক : পর্দা মুসলিম নারীর সৌন্দর্য, নারীর মানসম্মান, ইজ্জত-আবরুর রক্ষাকবচ। ‘ তাইতো নারীদের জন্য পর্দা পালন করা ফরজ ইবাদাত। আবার পর্দা মুসলিম নারীদের সৌন্দর্য হলেও তা পালন করা পুরুষদের জন্যও ফরজ করা হয়েছে। এ কথা ভাবা ঠিক নয় যে, তা শুধু নারীদের জন্যই; বরং পুরুষের জন্যও পর্দা ফরজ।

‘(হে নবি! আপনি) মুমিনদের বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নিচু করে এবং লজ্জাস্থানের হিফাজত করে, এটা তাদের জন্য অধিকতর পবিত্র। ঈমানদার নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নিচু রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে।

তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশমান, তাছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষদেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত দাসি, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। (সুরা নূর : আয়াত ৩১)

আল্লাহ তাআলা নারীকে পুরুষের চোখে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে সৃষ্টি করেছেন। আবার পুরুষের আকর্ষণও নারীর মধ্যে তৈরি করে দিয়েছেন। সে কারণেই ইসলামি শরিয়তের হুকুম অমান্য করে বেপর্দা হওয়া নারী এবং পুরুষের জন্য কোনোভাবেই বৈধ নয়।

পর্দার গুরুত্ব বুঝাতে হাদিসে এসেছে- হজরত উম্মে সালমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আমি ও মায়মুনা রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে ছিলাম। এমতাবস্থায় (দৃষ্টিহীন সাহাবী) আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে আগমক করলেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমরা পর্দার অন্তরালে চলে যাও। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! ইনি কি দৃষ্টিহীন নন? ইনি তো আমাদেরকে দেখছেন না। জবাবে আল্লাহর রাসুল বললেন, তোমরা কি তাকে দেখছো না? (আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ, তিরমিজি, মিশকাত)

অন্য বর্ণনায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, নারী গোপনযোগ্য। যখন সে ঘর থেকে বের হয় তখন শয়তান তার দিকে তাকাতে থাকে। (মিশকাত)

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech