ছাত্রীকে অন্তঃসত্ত্বাকারী সেই ধর্ষকের কারাগারে মৃত্যু

  

পিএনএস, বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাড়িতে আরবি পড়তে আসা ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বাকারী হাফেজ রুহুল কুদ্দুস (৫৫) মারা গেছেন।

মঙ্গলবার বিকালে তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে মারা যান। পরে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা কারাগারের জেলার শরিফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এজাহার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হাফেজ রুহুল কুদ্দুস বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতা মাজগ্রাম ইউনিয়নের দরিয়াপুর গ্রামের মৃত রুফক উদ্দিনের ছেলে। তিনি বাড়িতে গ্রামের শিশুদের আরবি পড়াতেন। একদিন অন্যদের ছুটি দিয়ে প্রতিবেশীর শিশুকন্যা স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে (১২) মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে ধর্ষণ করেন।

বাড়িতে ধর্ষণের কথা প্রকাশ করলে হত্যা করা হবে- এমন হুমকি দিয়ে শিশুটিকে কয়েক দিন ধর্ষণ করা হয়। এরপর থেকে সে আরবি পড়া বন্ধ করে দেয়। গত জুলাই মাসের প্রথম দিকে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বাবা-মা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।

৪ জুলাই স্থানীয় ক্লিনিকে আলট্রাসনোগ্রাফি করে জানা যায়, সে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ১০ জুলাই শিশুর বাবা নন্দীগ্রাম থানায় হাফেজ রুহুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ১২ জুলাই নওগাঁর হাপুনিয়া দীঘিপাড়া গ্রামে আত্মীয়র বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়।

বগুড়া জেলা কারাগারের জেলার শরিফুল ইসলাম জানান, রুহুল কুদ্দুস কিডনি বিকল, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ৩০ জুলাই তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকালে তিনি মারা গেছেন।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন